আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ছুরিকাঘাতে তিন ইসরাইলির মৃত্যুর একদিন পর শনিবার পশ্চিম তীরে আরো সৈন্য পাঠিয়েছে ইসরাইল। ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই পবিত্র এই স্থানটিকে ঘিরে বৃহস্পতিবার ইসরাইলি-ফিলিস্তিনি সংঘর্ষ ছড়িয়ে পরে।
ইসরাইলের সেনা শনিবার বলেছে যে তারা পশ্চিম তীরে আরো সৈন্য পাঠিয়েছে। তবে ঠিক কতজন সৈন্য পাঠানো হয়েছে তা সুস্পষ্ট কিছু বলেনি। ২০ বছর বয়সী ফিলিস্তিনের ওই যুবক হামলার আগে তার ফেসবুক পোস্টে লিখেন, ইসরাইল কর্তৃক জেরুজালেমের পবিত্র স্থানটির অবমাননার জন্য তিনি প্রতিশোধ নেয়ার পরিকল্পনা করেছেন।
ইসরাইলি সেনাবাহিনীর দাবি, শুক্রবার একটি বাড়ি থেকে ছদ্মবেশে এসে এক ফিলিস্তিনি যুবক এক ইসরাইলি ও তার দুই প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানকে হত্যা করেছে। এতে এক নারীও আহত হন।হামলাকারীর নাম ওমর আল আবেদ। হামলাকারীকে ধরা হয়েছে এবং গুলি করা হয়েছে।
ইসরাইলি সেনাবাহিনী জানিয়েছে, শনিবার সকালে ইসরাইলি সৈন্যরা পশ্চিম তীরের কোবর গ্রামে হামলাকারীর পরিবারের খোঁজে অভিযান চালায় এবং তার ভাইদের একজনকে আটক করেছে। সামরিক বাহিনীর প্রকাশ করা এক ভিডিও ফুটেজ দেখা যায় যে, সৈন্যরা একজন অন্ধ লোককে হাতকড়া পরিয়ে হাটিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।
সৈন্যরা ঘরটি অনুসন্ধান করার পর সেটি ধ্বংস করে দেয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়। জেরুজালেমের আল আকসা মসজিদে নতুন নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে ইসরাইলি বাহিনী ও ফিলিস্তিনিদের মধ্যে পূর্ব জেরুজালেম ও পশ্চিম তীরে দিনব্যাপী সংঘর্ষের পর তিন ইসরাইলি নিহতের এ ঘটনা ঘটলো।
শুক্রবার সংঘর্ষে তিন ফিলিস্তিনি নিহত এবং শতাধিক আহত হয়েছে। এ ঘটনার পর ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস ইসরাইলের সঙ্গে সব ধরনের যোগাযোগ বন্ধের ঘোষণা দিয়ে বলেছেন, আল আকসা মসজিদে মেটাল ডিটেক্টর বসানোর ঘটনা অপমানজনক।















