নিজস্ব প্রতিবেদক: সামনে ঈদ। আর ঈদকে সামনে রেখে অন্যান্য পেশাদারদের মতো ফার্নিচার কারিগরদের ব্যস্ততা অনেক বেড়ে গেছে। রাজধানীর বাড্ডা এলাকার সাতারকুল ও পূবার্চলে প্রায় পাঁচ শতাধিক ফার্নিচার কারখানার আবস্হান। সব কারখানায় দেদারচে চলছে ফার্নিচার তৈরীর কাজ।

সাইফুল ফার্নিচারের স্বত্তাধিকারি আব্দুর রহমান জানান, সামনে রোজার ঈদ। এসময় আমাদের একটু ব্যস্ততা বেড়ে যায়। তবে ফার্নিচার কারখানায় সবচেয়ে বেশি কাজ আসে ডিসেম্বর ও জানুয়ারিতে। এসময় মানুষের হাতে নগদ টাকা পয়সা থাকায় ফার্নিচারের দোকানে আসে। দোকানগুলো আমাদের থেকে তাদের অর্ডার মতো ফার্নিচার বানিয়ে নিয়ে যায়।
বিভিন্ন বড় প্রতিষ্ঠান এখন নিজস্ব কারখানা স্হাপন করলেও আগে তারা এইসব কারখানার উপর ভর করে ব্যবসা করেছে। বর্তমানে মাঝারি মানের প্রতিষ্ঠানগুলো এসব ফার্নিচার করখানার উপর নির্ভরশীল।

গদিমিস্ত্রি মাসুদ মিয়া জানান, সোফার কাপড় সাধারণত চায়না ও ইন্ডিয়া থেকে আসে। দেশিয় কাপড়ের কাজও চলে অর্ডার মতো। তবে ইন্ডিয়ান কাপড়ের সুনাম আছে সুনাম আছে সোফা ইন্ডাস্ট্রিতে।
ফ্রেম মিস্ত্রি আল-আমিন বলেন, কাস্টমাররা ভেতরের ফ্রেমসহ বাহিরে ভালো কাঠ চান। তবে ভেতরে কেরোসিন ও গর্জন কাঠ ব্যবহার করা হয়। বাইরের দিকে সেগুন, রেন্ডি, গর্জন, বার্মাটিক কাঠ ব্যবহার করা হয়। তবে মহাজনরা যেভাবে অর্ডার করেন আমরা সেভাবেই কাজ করি।

সস্তায় কাজ সম্পন্ন করতে ফার্নিচার শিল্পে শিশু শ্রমিক বা কারিগরের সংখ্যা বেশি। শিশু কারিগর শফিক জানায়, তার চাচা ও পারিবারিক ব্যবসায় সাহায্য করতে সে ফার্নিচার কারখানায় কাজ করছে। গত ছয়মাস ধরে সে কাজ শিখছে।















