আলীনগর গ্রামে ২০ টি পাকা ঘর নির্মাণ করবে মুহিবুসসামাদ ও কমরুন্নেসা চৌধুরী ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট

1047

ওয়ানবাংলানিউজ : চ্যারিটি সংগঠন “মুহিবুস সামাদ ও কমরুন্নেসা চৌধুরী ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট” মানবতার কল্যাণে দীর্ঘদিন যাবৎ কাজ করে যাচ্ছে । আর এরই ধারাবাহিকতায় বিয়ানীবাজার উপজেলার আলীনগর গ্রামের ২০ টি দরিদ্র পরিবারকে ২০২০ সালের মধ্যে পাকা ঘর নির্মাণ করে দেয়ার এক সাহসী ও যুগান্তকারী উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। গত ২৭ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার গৃহ নির্মাণ প্রকল্পের আওতাধীন চতুর্থ পাকা ঘরের উদ্বোধনী শেষে ট্রাস্টের সিইও মনজুরুস সামাদ চৌধুরী মামুন এই ঘোষণা দেন।
ট্রাস্ট নির্মিত বাড়ি সমুহ পরিদর্শন কালে ওয়ানবাংলানিউজ ডটকমের বার্তা সম্পাদক এম আব্বাছ উজ জামান “মুহিবুস-সামাদ ও কমরুন্নেসা চৌধুরী ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের” সেবামূলক কাজের প্রশংসা করে বলেন এই ট্রাস্ট দুটি এতিমখানায় অব্যাহত সহযোগিতা, স্কুল, মাদ্রাসা ও মসজিদে অনুদান সহ বিভিন্ন সেবামূলক কাজের পাশাপাশি একই গ্রামে কুড়িটি পাকা ঘর নির্মাণ করে গরিব দুঃখি মানুষের মাথা গুজার ঠাই করে দেয়ার উদ্যোগ নিয়ে তা বাস্তবায়ন করেছে। তা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ও অনুকরনীয়। এলাকা বাসি এরকম কাজকে সাধুবাদ জানালে, উৎসাহ প্রদান অব্যাহত রাখলে মনজুরুস-সামাদ চৌধুরীর পরিচালনাধীন ট্রাস্ট সহ অন্যান্য ব্যক্তি ও সংস্থা সমাজসেবামূলক কাজে এগিয়ে আসবে।

মুহিবুস-সামাদ ও কমরুন্নেসা চৌধুরী ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট নির্মিত বাড়ি।

আলীনগর গ্রামের বিধবা ফাতিরা বিবির বসত ভিটায় ট্রাস্ট কর্তৃক গৃহ নির্মাণ সম্পন্ন হলে ট্রাস্টের সিইও মনজুরুস-সামাদ চৌধুরী মামুন বেলা ২টায় আনুষ্ঠানিক ভাবে ঘরের চাবি হস্তান্তর করেন। এসময় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ওয়ানবাংলানিউজ ডটকমের বার্তা সম্পাদক এম এ জামান, সমাজসেবী ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব শাহজাহান হোসেন চৌধুরী। অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সমাজকর্মী আখতার হোসেন রেজু, রাহেল চৌধুরী, ট্রাস্টের প্রজেক্ট ম্যানেজার সি এম আরিফ সহ ট্রাস্টের অন্যান্য সদস্য বৃন্দ ও এলাকাবাসি।
ফাতিরা বিবির ঘরের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন শেষে ইতিপূর্বে নির্মিত ও আলীনগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মামুনুর রশীদ মামুন কর্তৃক হস্তান্তর কৃত একই গ্রামের ফাতির আলী, ফকু মিয়া ও বাদই মিয়ার ঘর পরিদর্শন করেন এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের সাথে কুশল বিনিময় করেন। উল্লেখ্য প্রতিটি ঘরে রয়েছে ১ টি কিং সাইজ বেড রুম, কিচেন ও এটাচ বাথরুম। এ পর্যন্ত নির্মিত প্রতিটি ঘর নির্মাণে গড় ব্যায় হয়েছে তিন লক্ষ টাকার উপরে।