ব্রেক্সিটের পর দক্ষ শ্রমিক নিবে ব্রিটেন : ভাগ্য খুলতে পারে বাংলাদেশী শ্রমিকদের

18882

ওয়ানবাংলানিউজ: ইউরোপিয় ইউনিয়ন থেকে ব্রিটেনের বের হয়ে যাওয়ার প্রক্রিয়া ব্রেক্সিট কার্যকর হলে দক্ষ শ্রমিক নিয়োগ দেয়া হবে। ইইউ এর শ্রমিকদের আর একপেশে অগ্রাধিকার দেয়া হবে না বলে জানিয়েছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে।
এদিকে লো স্কীল ওয়াকারদের কাজের সুযোগ দিতে মাইগ্রেশন এডভাইজারি কমিটি যে প্রস্তাব দিয়েছে তা সমর্থন করেছে লেবার পার্টি। এবার প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের পর স্পষ্ট হচ্ছে ব্রিটেন ব্রেক্সিটের পর শুধুমাত্র ইইউ থেকে কর্মী নিবেনা। যোগ্যতা সম্পন্ন ব্যক্তি বিশ্বের যেকোন জায়গা থেকে ব্রিটেনে কাজের সুযোগ পাবে।
এক্ষেত্রে আবারো ভাগ্য খুলতে পারে বাংলাদেশী রেস্টুরেন্ট শ্রমিকদের। ভাগ্য খুলতে যাচ্ছে স্টুডেন্ট হিসেবে ব্রিটেনে আসতে যাওয়াদের।

নতুন পরিবর্তনগুলির মধ্যে থাকছে, স্টুডেন্টদের আর ইমিগ্রেন্ট হিসেবে দেখা হবে না। ওয়ার্কার হিসেবে এদেশে কাজ করতে হলে তাকে মিনিমাম বেতনে কাজ করতে হবে। তবে এটা দেখা হবে সে স্থায়ীবাসিন্দাদের কাজের সাথে প্রতিযোগিতা করছে কিনা?
স্কীল ওয়ার্কাররা তাদের ফ্যামিলি দেশ থেকে নিয়ে আসতে পারবে। তবে তাদের ভবিষ্যতকাজের স্পন্সর দেখাতে হবে। অন্যদিকে সিকিউরিটি এবং ক্রিমিনাল রেকর্ড পরিক্ষায় আমেরিকার মত কড়াকড়ি করা হবে বলেও উল্লেখ রয়েছ।

প্রধানমন্ত্রী মে সোমবার এক বিবৃতিতে বলেন, ‘ব্রিটেন ব্রেক্সিটের পর উচ্চমান ও যোগ্যতা সম্পন্ন অভিবাসীদের আকৃষ্ট করবে। এমনকি যেকোন দেশের অভিবাসীদের অভিজ্ঞতা ও দক্ষতার ভিত্তিতে কাজের সুযোগ দেয়া হবে। ২০১৯সালে ব্রেক্সিট বিল প্রকাশের আগেই আমরা ইইউ ও ইইউ বহির্ভুত দেশগুলোর জন্য একটি একক নীতিমালা প্রণয়ন করতে যাচ্ছি’ বলে ক্ষমতাসীন কনজারভেটিভ পার্টির একটি সমাবেশে দাবি করা হয়।

মে আরো বলেন, ‘আমরা বিশেষত অভিবাসন ইস্যুতে ব্রেক্সিট চাই। তাই কয়েক দশকের মধ্যে প্রথমবারের মত ব্রিটেন অভিবাসী বাছাই করার সুযোগ পাচ্ছে। এমনকি ব্রেক্সিটের সাথে সাথে ইইউ’র নাগরিকদের ফ্রি ব্রিটেন ভ্রমন করার সুযোগও শেষ হয়ে যাচ্ছে। আমাদের প্রয়োজনেই শুধু অভিবাসন প্রবেশ করাবো।