ঢাকা সংবাদদাতা: মিনায় প্রতিকী শয়তানকে তৃতীয় দিনের মতো পাথর ছুড়ে মারার মধ্য দিয়ে শেষ হলো হজের সব আনুষ্ঠানিকতা। হজ মৌসুম শুরুর ফ্লাইটে যারা সৌদি আরব এসেছিলেন, ইতিমধ্যেই কাবা শরীফ বিদায়ী তাওয়াফ শেষে হাজীদের অনেকেই দেশের পথে রওনা হয়েছেন।
দেশে ফেরার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বাংলাদেশের হাজীরা। ২৭ আগস্ট বাংলাদেশি হাজীদের নিয়ে সৌদি আরব থেকে ফিরতি ফ্লাইট শুরু হবে। টানা একমাস হাজীদের ফিরিয়ে আনার কাজ করবে। ফিরতি ফ্লাইট শেষ হবে ২৬ সেপ্টেম্বর।
চলতি মৌসুমে সরকারি ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় মোট হজযাত্রীর সংখ্যা ছিলো ১ লাখ ২৬ হাজার ৭৯৮ জন। ব্যবস্থাপনা সদস্যসহ বাংলাদেশ বিমান ও সৌদিয়া এয়ারলাইন্স যোগে আসা হজযাত্রীর সংখ্যা ১লাখ ২৭ হাজার ২৯৮ জন।
এদিকে মিনার তাঁবুতে অবস্থান করে হজের মূল আনুষ্ঠানিকতার তৃতীয় দিনে হাজীরা পর্যায়ক্রমে ছোট, মাঝারি এবং বড় জামারায় পাথর নিক্ষেপ করেন। পরে কাবা শরীফ তাওয়াফ ও সাফা-মারওয়া সাতবার প্রদক্ষিণ শেষে মক্কার স্ব স্ব হোটেল বা বাড়িতে ফিরতে শুরু করেছেন।
এদিকে হজ করতে সৌদি আরবে এসে এখন পর্যন্ত ৬৯ জন বাংলাদেশি হজযাত্রী ইন্তেকাল করেছেন। তাদের মধ্যে পুরুষ ৫৮ জন ও নারী ১১ জন।
হাজীদের নিরাপত্তার জন্য সৌদি কর্তৃপক্ষের সর্বোচ্চ পর্যায়ের তদারকিতে নিয়োজিত রয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রায় এক লাখ সদস্য।
দশম হিজরি অর্থাৎ ৬৩২ খ্রিস্টাব্দে পবিত্র আরাফাতের ময়দানে জাবালে রহমতে দাঁড়িয়ে বিদায় হজের ভাষণ দেন মহানবী হজরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম। এর পর থেকে সারা বিশ্বের ধর্মপ্রাণ মানুষ প্রতিবছর ৯ জিলহজ আরাফাতের ময়দানে হজে অংশ নিয়ে আসছেন। আরাফাতের ময়দানে অবস্থান করা হজের অন্যতম ফরজ।















