নেতানিয়াহু ও তার মন্ত্রীদের পদত্যাগ চেয়ে তেল আবিবে বিক্ষোভ

666

ওয়ানবাংলা ডেস্ক: ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর নেতৃত্বাধীন সরকারের দুর্নীতির বিরুদ্ধে তেল আবিবে টানা নবম সপ্তাহের মতো বিক্ষোভ হয়েছে। গত রাতের বিক্ষোভেও হাজার হাজার মানুষ অংশ নিয়েছেন। দুর্নীতির অভিযোগে নেতানিয়াহু ও তার মন্ত্রিসভার সব সদস্যের পদত্যাগ দাবি করেছেন বিক্ষোভকারীরা। তারা নেতানিয়াহুর বিচারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন। বিক্ষোভকারীদের হাতে বিভিন্ন রকমের প্ল্যাকার্ড দেখা যায়।

বিক্ষোভকারীরা বলছেন, নেতানিয়াহুর পুরো পরিবার ও তার মন্ত্রিসভা দুর্নীতিগ্রস্ত। তার ছেলের বিরুদ্ধেও স্লোগান দেন বিক্ষোভকারীরা নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে ঘুষ নেয়া, প্রতারণা ও বিশ্বাস ভঙ্গের অভিযোগ রয়েছে। এরইমধ্যে আলাদা দুটি মামলায় তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে।

দু’টি মামলার একটি হচ্ছে ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে উপহারের নামে ঘুষ গ্রহণ এবং বিনিময়ে একটি পত্রিকায় ভালো কভারেজ দেয়ার জন্য পত্রিকার মালিকের সঙ্গে আলোচনা করে দেয়া। অন্যটি হচ্ছে- জার্মানি থেকে সাবমেরিন কেনার ক্ষেত্রে দুর্নীতি। ইহুদিবাদী ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রীসহ শীর্ষ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ঘুষ ও দুর্নীতির অভিযোগ নতুন কিছু নয়। ২০১৪ সালে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইহুদ ওলমার্টের বিরুদ্ধে ঘুষ নেয়ার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তাকে দেড় বছর জেল খাটতে হয়েছে।

মিশরে দীর্ঘদিন ধরে বিমান হামলা চালাচ্ছে ইসরাইল,ইহুদিবাদী ইসরাইল মিশরের সিনাই উপদ্বীপে গত কয়েক বছর ধরে ১০০ বারের বেশি বিমান হামলা চালিয়েছে। বিমান হামলার বিষয়ে ইসরাইলের প্রতি মিশর সরকারের সমর্থন রয়েছে বলে জানা গেছে।

মার্কিন দৈনিক নিউ ইয়র্ক টাইমস গতকাল (শনিবার) জানিয়েছে, ২০১৪ সাল থেকে ইসরাইল নাম-পরিচয়বিহীন বিমান, ড্রোন এবং অপ্রচলিত অস্ত্র দিয়ে সিনাই উপদ্বীপে হামলা চালিয়ে আসছে। এ কাজে আমেরিকা ও ব্রিটেনের সাবেক এবং বর্তমান কর্মকর্তারা জড়িত। এসব কর্মকর্তা মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ক নীতি নিয়ে কাজ করে থাকেন।

নিউ ইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এ পর্যন্ত ইসরাইল ১০০ বারের বেশি বিমান হামলা চালিয়েছে। পত্রিকাটি দাবি করছে, তাকফিরি সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে ইসরাইল হামলা চালাচ্ছে। তবে আশ্চর্যের বিষয় হচ্ছে- এসব গেরিলা কখনো মিশরের ভূমি ব্যবহার করে ইসরাইলে হামলা চালায় নি।

ইসরাইলি বিমান হামলার বিষয়ে মিশরের প্রেসিডেন্ট জেনারেল আবদেল ফাত্তাহ আস-সিসি অনুমোদন দিয়েছেন এবং বিষয়টি গোপন রেখেছেন। মিশরের সামরিক বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থার গুটি কয়েকজন কর্মকর্তা সিসির অনুমোদনের বিষয়টি জানেন বলে নিউ ইয়র্ক টাইমস জানিয়েছে।

মিশর হচ্ছে একমাত্র আরব দেশ যে সবার আগে ইহুদিবাদী ইসরাইলের সঙ্গে কথিত শান্তি চুক্তি করেছে।