মার্কিন আদালতের রায়ের পর যুক্তরাষ্ট্রের সাথে বাণিজ্য চুক্তি পর্যালোচনা করবে বাংলাদেশ

    73

    সাইফ হাসান: মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট ট্রাম্প প্রশাসনের বিতর্কিত শুল্ক আইন বাতিল করে দেওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে করা বিশেষ বাণিজ্য চুক্তিটি পর্যালোচনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে এই চুক্তিতে বাংলাদেশের জন্য একটি বিশেষ প্রস্থান বা এক্সিট ক্লজ রয়েছে যা অন্য কোনো দেশের ক্ষেত্রে নেই। মার্কিন প্রেসিডেন্ট নতুন করে ১০ শতাংশ অতিরিক্ত শুল্ক ঘোষণা করায় বাংলাদেশের মোট শুল্কহার ২৬.৫ শতাংশে দাঁড়াতে পারে যা আগের চেয়ে কিছুটা কম হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বর্তমানে সরকারের উচ্চপর্যায় থেকে পুরো বিষয়টি বিশ্লেষণ করে দেখা হচ্ছে এবং শীঘ্রই এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

    বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব খাদিজা নাজনীন জানিয়েছেন যে ৯ ফেব্রুয়ারি ওয়াশিংটনে স্বাক্ষরিত এই চুক্তিতে বাংলাদেশের জন্য বিশেষ সুবিধা রাখা হয়েছিল। মার্কিন আদালতের রায়ের ফলে এখন পুরো পরিস্থিতি বদলে গেছে এবং এই চুক্তিটি আদৌ কার্যকর থাকবে কি না তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। সরকার এখন গুরুত্বের সাথে পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখছে।

    বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অন্য একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন যে পুরো চুক্তিটি বাতিল হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে কারণ আদালতের রায়ে ট্রাম্পের আরোপিত অনেক শুল্কই অবৈধ ঘোষিত হয়েছে। এর ফলে বাংলাদেশের ওপর এর আগে যে বিশাল শুল্কের বোঝা চাপানোর কথা ছিল তা হয়তো আর কার্যকর হবে না। শীঘ্রই একটি বিস্তারিত আলোচনার মাধ্যমে পরবর্তী পদক্ষেপ ঠিক করা হবে।

    বিজিএমইএ-র পরিচালক ফয়সাল সামাদ বলেছেন যে এটি একটি আইনি বিষয় এবং পুরো চিত্র পরিষ্কার হতে আরও কয়েকদিন সময় লাগবে। তবে রপ্তানিকারকরা আশা করছেন যে নতুন করে শুল্কহার নির্ধারিত হলে বাংলাদেশ হয়তো আর্থিকভাবে লাভবান হতে পারে। বিশেষ করে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ১০ শতাংশ শুল্ক নির্ধারণ করলে আমাদের মোট শুল্ক ২৬.৫ শতাংশে নেমে আসবে যা ব্যবসায়ীদের জন্য ইতিবাচক হতে পারে।

    #বাণিজ্যচুক্তি #যুক্তরাষ্ট্র #বাংলাদেশ #অর্থনীতি #রপ্তানি #aknews #onebanglanews