সাইফ হাসান: লন্ডনের রাস্তায় গ্যাংগুলো ১৪ বছরের কিশোরীদের ফুঁসলে ভয়ংকর যৌ*ন ব্যবসায় নামাচ্ছে। বিবিসির এক অনুসন্ধানে উঠে এসেছে মাদক ও অ*স্ত্র বিক্রির মতো অপ*রাধেও তাদের ব্যবহার করা হচ্ছে। ঋণের টাকা শোধ করতে অনেক সময় কিশোরীদের একাধিক পুরুষের লালসার শিকার হতে হয়। পুলিশ জানিয়েছে লন্ডনের এই গ্যাংগুলোতে শ্বেতাঙ্গ ও এশিয়ানসহ বিভিন্ন জাতির অপ*রাধী সক্রিয় রয়েছে। প্রতি বছর লন্ডনে প্রায় দুই হাজার শিশু শোষণের অভিযোগ জমা পড়ছে।
বিবিসির তথ্যমতে, লন্ডনের গ্যাংগুলো অসহায় কিশোরীদের লক্ষ্যবস্তু বানাচ্ছে। ১৪ বছর বয়সী মিলির (ছদ্মনাম) মতো অনেক কিশোরী জানিয়েছে, তাদের প্রতিদিন একাধিক পুরুষের কাছে পাঠানো হতো। এই গ্যাংগুলো মাদক এবং অস্ত্রের ব্যবসার পাশাপাশি কিশোরীদের দিয়ে ফোন চুরির মতো কাজও করাচ্ছে।
কেলি নামে এক ভুক্তভোগী জানান, তাকে প্রথমে মাদক বিক্রির কাজে লাগানো হলেও পরে যৌন সম্পর্কে বাধ্য করা হয়। তার মতে, একাকিত্ব এবং পরিবারের অবহেলার সুযোগ নিয়ে গ্যাংগুলো তাকে দলে ভিড়িয়েছিল। রুথ নামের আরেকজন জানান, দক্ষিণ এশীয় পুরুষরা তাকে দামী জিনিসের লোভ দেখিয়ে যৌন নিপীড়ন করেছে।
মেট্রোপলিটন পুলিশের কর্মকর্তা জন নক্স জানিয়েছেন, গ্যাংয়ের ভেতর মেয়েদের অবস্থান সবথেকে নিচে এবং তারা সব নির্দেশ মানতে বাধ্য। লন্ডনের ল্যামবেথ এলাকায় অন্তত ৬০ জন শিশু এমন শোষণের শিকার হচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। প্রতি বছর প্রায় ২,০০০ শিশু শোষণের মামলা রেকর্ড করছে পুলিশ।
লন্ডনের মেয়র সাদিক খান এই ধরণের অপরাধ দমনে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন। তিনি বলেন, অপরাধী যে বর্ণ বা গোষ্ঠীরই হোক না কেন পুলিশকে তদন্ত চালিয়ে যেতে হবে। খুব শীঘ্রই এই ধরণের গ্রুমিং গ্যাং মোকাবিলায় একটি স্বাধীন তদন্ত শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।
#লন্ডন #নিপীড়ন #গ্যাং #aknews #onebanglanews















