লন্ডনে চীনের বিশাল দূতাবাস তৈরির অনুমতি মিলছে এই সপ্তাহেই

81

সাইফ হাসান: লন্ডনে চীনের নতুন বিশাল দূতাবাস নির্মাণের বিষয়ে এই সপ্তাহের শুরুতেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসার কথা রয়েছে। ২০১৮ সাল থেকে ঝুলে থাকা এই প্রকল্পটির অনুমোদন দিলে বেইজিংয়ের সাথে লন্ডনের সম্পর্কের বরফ গলে যাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের আসন্ন চীন সফরের আগেই এই সুখবর দুই দেশের কূটনৈতিক টানাপড়েন কমাতে পারে। এর ফলে চীনে ব্রিটিশ দূতাবাসের সংস্কার কাজও সহজ হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

লন্ডনের টাওয়ার হ্যামলেটস কাউন্সিলের বাধার মুখে দীর্ঘদিন আটকে থাকার পর অবশেষে চীনের ‘মেগা দূতাবাস’ তৈরির অনুমতি মিলতে পারে। ২০১৮ সালে ২৫৫ মিলিয়ন পাউন্ড দিয়ে রয়্যাল মিন্ট কোর্টের জায়গাটি কিনেছিল চীন যা ইউরোপে তাদের সবচেয়ে বড় কূটনৈতিক কেন্দ্র হবে। সোমবার বা মঙ্গলবারের মধ্যেই সরকার এ বিষয়ে চূড়ান্ত রায় দেবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এই প্রকল্পের অনুমোদন না মেলায় চীন ক্ষুব্ধ ছিল এবং এর জেরে বেইজিংয়ে ব্রিটিশ দূতাবাসের সংস্কার কাজও আটকে দিয়েছিল তারা। গত আগস্টে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের সাথে ফোনালাপে বিষয়টি সরাসরি তুলেছিলেন। স্থানীয় কাউন্সিল বাধার সৃষ্টি করলেও এখন সরকারিভাবেই এর জট খোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

জানুয়ারির শেষের দিকে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের চীন সফরের কথা রয়েছে যা ২০১৮ সালের পর প্রথম কোনো ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর সফর। এই অনুমতি মিললে দুই দেশের সম্পর্কের উন্নতি হবে এবং বাণিজ্যের নতুন পথ খুলবে বলে আশা করা হচ্ছে। থেরেসা মে-এর সময়ের মতো বড় কোনো বাণিজ্য চুক্তির স্বপ্ন দেখছে বর্তমান সরকার।

তবে স্থানীয় বাসিন্দা এবং হংকং ও উইঘুর সম্প্রদায়ের মানুষ এই প্রকল্পের তীব্র বিরোধিতা করছেন। তারা মনে করেন এর ফলে লন্ডনে চীনের গোয়েন্দা নজরদারি বাড়বে। অনুমোদনের পরেও স্থানীয়রা আইনি লড়াই চালিয়ে যাওয়ার জন্য তহবিল সংগ্রহ করছেন এবং নিয়মিত বিক্ষোভ করছেন।

#ChinaEmbassy #LondonNews #KeirStarmer #aknews #onebanglanews