নিজস্ব প্রতিবেদক : আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন ব্যবসায়ী, সমাজসেবক এবং বিদগ্ধ রাজনীতিবিদ আলহাজ্ব কবীর আহমেদ ভূঁইয়া একজন নিবেদিতপ্রাণ দেশপ্রেমিক। যিনি দেশে ও বিদেশে বহুমুখী জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে অগ্রণী ভূমিকা রেখে আসছেন। তিনি বাকশালী দুঃশাসন প্রতিরোধে দীর্ঘ ষোল বছর জাতীয়তাবাদের অগ্রসৈনিক হিসেবে কাজ করে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মাটি ও মানুষের প্রিয় নেতা হিসেবে আখ্যা পেয়েছেন। তুমুল জনপ্রিয়তা নিয়েও দলীয় সর্বোচ্চ পদে আসীন না হয়ে একটি সুন্দর জেলা কমিটি উপহার দিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা বিএনপির সদস্যপদ ধারণ করেছেন মাত্র। এখানে তার ত্যাগ ও মহিমার মাত্রা অনুমান করা যায়।
তার নেতৃত্বে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা বিএনপি ও সকল অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের ১৪টি ইউনিট ঐক্যবদ্ধ হয়েছে।
বিশ্বব্যাপী কোভিড-১৯ মহামারির সময় যখন দিশেহারা ছিল মানুষ, তখন ২০২০ সালের করোনা সংকটে তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে চিকিৎসা সহায়তা, খাদ্যসামগ্রী বিতরণ ও স্বাস্থ্য সুরক্ষা সামগ্রী পৌঁছে দেওয়ার মাধ্যমে অসাধারণ ভূমিকা পালন করেন।
আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তাঁর নেতৃত্ব ও মানবিকতা এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করে যখন নাইজেরিয়ার উইয়ো স্টেট এর তৎকালীন গভর্নর আবিওলা আজিমুবি করোনা আক্রান্ত হলে নাইজেরিয়া সরকার সরাসরি আন্তর্জাতিক পরিচিতি সম্পন্ন কবীর আহমেদ ভূঁইয়ার সহায়তা কামনা করে। ওই সময় বাংলাদেশে তৈরি করোনা প্রতিরোধী ইনজেকশন সংগ্রহ করতে তারা বাংলাদেশ সরকারের কাছে অনুরোধ জানায়—এই সাহায্য যেন আলহাজ্ব কবীর আহমেদ ভূঁইয়ার মাধ্যমে সরবরাহ করা হয় সে ব্যাপারে বাংলাদেশ সরকারকে অনুরোধ করা হয়।
বিশ্বব্যাপী লকডাউনের সময় যখন আকাশপথ বন্ধ ছিল, তখন নাইজেরিয়ার সরকার বাংলাদেশের তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সহযোগিতা কামনা করে, যাতে কবীর আহমেদ ভূঁইয়ার মাধ্যমে ওই ওষুধ পৌঁছানো সম্ভব হয়। নাইজেরিয়া থেকে একটি বিশেষ বিমান বাংলাদেশে এসে কবীর আহমেদ ভূঁইয়ার কাছ থেকে বিমানভর্তি ঔষধসহ পিপিই এবং মাস্ক ও অন্যান্য নিরাপত্তা সামগ্রী সংগ্রহ করে।
এই ঘটনা শুধু আলহাজ্ব কবীর আহমেদ ভূঁইয়ার ব্যক্তিগত সক্ষমতার নয়, বরং বাংলাদেশের জন্য একটি গর্বের বিষয়—যেখানে একজন বাংলাদেশির মানবিক নেতৃত্বকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া তিনি পানি সুরক্ষা ও বায়ু দূষণ প্রতিরোধেও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে কাজ করে যাচ্ছেন, যা তাঁর মানবিক দর্শন ও বৈশ্বিক দায়বদ্ধতার প্রতিচ্ছবি ফুটে ওঠে।
বৈশ্বিক পানি সংকটে বাংলাদেশের অবস্থান ও তাঁর কণ্ঠস্বর :
বর্তমান বিশ্বে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সংকটগুলোর মধ্যে একটি হলো নিরাপদ পানির অভাব। কবীর আহমেদ ভূঁইয়ার গবেষণায় উঠে এসেছে যে, বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ মিঠা পানির রিজার্ভভিত্তিক দেশ—এক্ষেত্রে বাংলাদেশ হতে পারে ‘Blue Gold Economy’র বৈশ্বিক কেন্দ্র।
তিনি আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্মে বক্তব্য ও প্রবন্ধের মাধ্যমে বাংলাদেশে বিনিয়োগ উপযোগী বোতলজাত পানি রপ্তানি, পানির কূটনীতি ও জলবায়ু সহনশীল অবকাঠামো গড়ে তোলার পক্ষে জোরালো পরামর্শ দিয়ে আসছেন। তাঁর এই উদ্যোগ নিয়ে দেশের বিভিন্ন গণমাধ্যম প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।
বায়ু দূষণ প্রতিরোধে তার আন্তর্জাতিক উদ্যোগ
তিনি বায়ু দূষণের বিরুদ্ধে একটি টেকসই জীবাশ্ম জ্বালানি নীতিমালা প্রণয়ন, শহরাঞ্চলে সবুজায়ন এবং বিকল্প নবায়নযোগ্য শক্তির প্রসার এর জন্য আন্তর্জাতিক বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও গবেষক সম্প্রদায়ের সঙ্গে কাজ করছেন আলহাজ্ব কবীর আহমেদ ভূঁইয়া।
কবীর আহমেদ ভূঁইয়া তার ধারাবাহিক রাজনৈতিক ও সেবামূলক কর্মকান্ডের ফলে স্বৈরাচারী হাসিনা সরকারের কোপানলে পরেন। তাকে তার পিএসসহ গুম করে ফেলা হয়। কিন্তু বিএনপি দলীয় প্রতিবাদের মুখে এবং সাংবাদিকদের বলিষ্ঠ লেখনীর কারণে তাকে ছেড়ে দিতে বাধ্য হয়। কিন্তু নির্যাতনের নানান ক্ষত এখনো বহন করছেন তিনি। গুম থেকে ফেরত আসার পর তার হার্টের দুইটি আটারিতে রিং পরানো হয় এবং আরও উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে সিঙ্গাপুর মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
রাজনৈতিক ও সেবামূলক কর্মকান্ডের মাধ্যমে ইউরোপ, আফ্রিকাসহ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের রাজনৈতিক নেতা, ব্যবসায়ী, সরকার প্রধান ও সরকারের উচ্চ পর্যায়ের ব্যক্তিদের সাথে আলহাজ্ব কবীর আহমেদ ভূঁইয়ার ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ স্থাপিত হয়। যা কাজে লাগিয়ে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশের ব্যবসায়িক, রাজনৈতিক এবং অর্থনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করা সম্ভব।
তাছাড়া অর্থনৈতিক সূত্রে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নামিদামি বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠানের সাথে রয়েছে তার বিশেষ সখ্যতা। তিনি ইতোমধ্যেই তাদেরকে বাংলাদেশের বিনিয়োগ করার ব্যাপারে উৎসাহিত করছেন। পৃথিবীর মানচিত্রে বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান এবং দক্ষ ও সহজলভ্য জনশক্তিকে কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশকে আকর্ষণীয় বিনিয়োগ ডেস্টিনেশন হিসেবে চিহ্নিত করার জন্য তিনি কাজ করে যাচ্ছেন।
জুলাই আগস্ট এর বিপ্লবে তিনি তার টিম নিয়ে জাতিসংঘের সাথে ক্লোজলি কাজ করেছেন।
তিনি একজন সফল আন্তর্জাতিক ব্যবসায়ী। গার্মেন্টস, রিয়েল এস্টেট, আইটি ও কমোডিটি আইটেমে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সাথে তার ব্যবসা রয়েছে। তাছাড়া তার কোম্পানি “গেলেন্স” পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের বিনিয়োগকারীদের নিয়ে কাজ করে। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের খাত ভিত্তিক সমস্যা চিহ্নিতকরণ এবং সংশ্লিষ্ট সমস্যার সমাধানের লক্ষ্যে বিনিয়োগ সংগ্রহ ও সংশ্লিষ্ট দেশের সরকারকে নিয়ে সমস্যার সমাধানে কাজ করে থাকেন। তিনি ভূঁইয়া ফাউন্ডেশন এর প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান। ভূঁইয়া ফাউন্ডেশন এর মাধ্যমে তিনি দেশে ও বিদেশে বিভিন্ন সামাজিক সেবামূলক কর্মকান্ড পরিচালনা করে থাকেন।
কবীর আহমেদ ভূঁইয়া বাংলাদেশের পানি সমস্যা ও জনসংখ্যা সমস্যাকে শক্তিতে রূপান্তর করার জন্য কাজ করে যাচ্ছেন। তিনি মনে করেন বাংলাদেশের এই দুটি সমস্যাকে শক্তিতে রূপান্তর করতে পারলে বাংলাদেশ পৃথিবীর মধ্যে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী দেশ হিসাবে নিজেকে দাঁড় করাতে সক্ষম হবে। তিনি বিশ্বব্যাপী প্রবাসী বাংলাদেশীদের স্বার্থ রক্ষার ব্যাপারে কাজ করে যাচ্ছেন।
আলহাজ্ব কবীর আহমেদ ভূঁইয়ার মতো আন্তর্জাতিক ব্যক্তিত্বের পক্ষে একটি উন্নত, মানবিক ও আন্তর্জাতিক বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় নিয়ে কাজ করা সম্ভব।
আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তাঁর মতো ব্যক্তিত্বকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি থেকে মনোনয়ন দিলে শুধু কসবা -আখাউড়া বা ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলারই সুনাম হবে না বরং তিনি বাংলাদেশের সম্পদ হিসেবে পরিগনিত হবেন। বাংলাদেশের রাজনীতি আরো সমৃদ্ধশালী হবে।
আজকের বিশ্বে রাজনীতি শুধু দেশের ভেতরে সীমাবদ্ধ নেই। আন্তর্জাতিক নেতৃত্ব, জনসেবামূলক কার্যক্রম ও বৈশ্বিক অংশগ্রহণ এখন একেকটি রাজনীতিকের নতুন পরিচয়পত্র। সেই বিচারে আলহাজ্ব কবীর আহমেদ ভূঁইয়া এক বিশিষ্ট মডেল, যার হাত ধরে বাংলাদেশ ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি উভয়ের সম্ভাবনা প্রসারিত হতে পারে।















