সাইফ হাসান:ব্রিটিশ রাজনীতিতে নতুন ঘটনাপ্রবাহ। সাবেক প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনাকের বিদায়ী সম্মান তালিকায় প্রাক্তন মন্ত্রী মাইকেল গোভ পেয়েছেন পিয়ারেজ। এছাড়া জেরেমি হান্ট ও জেমস ক্লেভারলি পেলেন নাইটহুড। তবে এই তালিকা নিয়ে উঠেছে সমালোচনার ঝড়।
লন্ডন, ১১ এপ্রিল: সাবেক মন্ত্রী ও লিভ ক্যাম্পেইনের নেতা মাইকেল গোভকে সুনাকের বিদায়ী সম্মান তালিকায় পিয়ারেজ দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে তিনি স্পেকটেটর ম্যাগাজিনের সম্পাদক। এছাড়াठুনাকের ঘনিষ্ঠ মিত্র মার্ক হারপার, ভিক্টোরিয়া প্রেন্টিস, অ্যালিস্টার জ্যাক ও সিমন হার্টও পিয়ারেজ পেয়েছেন। স্টিফেন ম্যাসি ও ডাউনিং স্ট্রিটের সাবেক নীতি ইউনিট প্রধান এলিয়ানর শক্রসও এই তালিকায় রয়েছেন।
সাবেক চ্যান্সেলর জেরেমি হান্ট ও প্রাক্তন পররাষ্ট্র সচিব জেমস ক্লেভারলি পেয়েছেন নাইটহুড। ক্লেভারলি সুনাকের পর দলীয় নেতৃত্বের দৌড়ে শেষ রাউন্ড পর্যন্ত এগিয়ে ছিলেন। এছাড়া অ্যান্ড্রু মিচেল, মেল স্ট্রাইড ও গ্রান্ট শ্যাপসও নাইটহুড পেয়েছেন। থেরেসা ভিলিয়ার্স পেয়েছেন ডেমহুড। মিচেল বলেন, “এই সম্মানে আমি কতজ্ঞ ও নম্র।”
লিবারেল ডেমোক্র্যাটের ডেপুটি লিডার ডেইজি কুপার এই তালিকাকে “রাজনৈতিক ব্যর্থতার প্যারেড” বলে সমালোচনা করেছেন। তিনি বলেন, “এই পুরস্কার কনজারভেটিভ সরকারের ব্যর্থতার পুরস্কার। সুনাক তার বন্ধুদের সম্মান দিয়ে জনগণের সঙ্গে বিচ্ছিন্নতার প্রমাণ দিয়েছেন।”
এদিকে, ব্রিটিশ অর্থনীতিতে সুখবর। ফেব্রুয়ারিতে জিডিপি বৃদ্ধি পেয়েছে ০.৫%, যা অর্থনীতিবিদদের পূর্বাভাসের চেয়ে পাঁচ গুণ বেশি। চ্যান্সেলর র্যাচেল রিভস বলেন, “এটি ইতিবাচক খবর, তবে আমরা সন্তুষ্ট নই। জনগণের জন্য আরও দ্রুত উন্নয়ন প্রয়োজন।” তিনি যু্তরাষ্ট্রসহ অন্যান্য দেশের সঙ্গে বাণিজ্য সম্পর্ক জোরদার করার কথাও বলেন।
লিবারেল ডেমোক্র্যাটের শিক্ষা মুখপাত্র মুনিরা উইলসন এই বৃদ্ধিকে “পুনরুদ্ধারের সবুজ কুঁড়ি” বলে স্বাগত জানান। তবে তিনি সতর্ক করে বলেন, “রিভসের কর নীতি এই বৃদ্ধিকে বাধাগ্রস্ত করতে পারে।”
এই প্রতিবেদনের সূত্র: The Guardian














