ওয়ানবাংলানিউজ: এনএইচএস ইংল্যান্ডের ধূমপানবিরোধী এই প্রচারণায় যোগ দিয়েছেন ইংল্যান্ড ফুটবল দলের সাবেক গোলকিপার ডেভিড জেইমস। মাকে ধূমপান করতে দেখে কিশোর বয়সে তিনিও ধূমপানে আসক্ত হন। খেলার মাঠে এক সময় বুঝতে পারেন, ধূমপানের কারণে তিনি ভালো পারফর্ম করতে পারছেন না। অন্যদিকে তাঁকে দেখে তাঁর ছেলেমেয়েরাও ধূমপানে আসক্ত হয়ে পড়ে। সন্তানদের কথা চিন্তা করে তিনি ধূমপান ত্যাগ করেন। পরে ডেভিড জেইমস এর সন্তানেরাও বাবাকে দেখে অনুপ্রাণিত হয়ে ধূমপান ছেড়ে দেয়।
এনএইচএস এর তথ্য অনুযায়ী, ব্রিটেনে প্রতিবছর ৭৬ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়, ধূমপানসংশ্লিষ্ট রোগে আক্রান্ত হয়। ইম্পেরিয়াল কলেজ লন্ডনের উদ্যোগে পরিচালিত সাম্প্রতিক এক গবেষণায় জানা গেছে, যেসব টিনেজারের পিতা-মাতা, কেয়ার-গিভার কিংবা ঘনিষ্ঠ বন্ধুরা ধূমপান করে, সেসব টিনেজারের ধুমপানে আসক্ত হওয়ার সম্ভাবনা তিন গুন বেশী।
ইংল্যান্ডে বর্তমান আইন অনুযায়ী, দোকান থেকে সিগারেট কিনতে হলে ১৮ বছর বয়স হতে হবে। সরকার এখন চাইছে, সিগারেট কেনার বয়স প্রতি বছর এক বছর করে বাড়াবে। এই পরিকল্পনা আইনে পরিণত হলে, চলতি বছর যার বয়স ১৪ বছর পূর্ণ হবে, সে কখনও সিগারেট কিনতে পারবেনা। সমালোচকেরা বলছেন, সিগারেট কেনার বয়স প্রতি বছর এক বছর করে বাড়ালে সিগারেট কালো বাজারে বিক্রি বেড়ে যাবে।
এনএইচএস এর ধূমপানবিরোধী প্রচারণার একটি বড় অংশজুড়ে জোর দেয়া হয়েছে, কিশোর-তরুণদের ধূমপানে অভ্যস্ত হওয়া থেকে বিরত রাখার ওপর। ধূমপান ছাড়ার চেষ্টার অংশ হিসেবে যদি কেউ ভেইপিং না করে থাকে, সে ক্ষেত্রে ভেইপিং না করার আহবানও রয়েছে এই ক্যাম্পেইনে। তবে সবার প্রতি এই ক্যাম্পেইনে একটাই আহবান রয়েছেঃ ধূমপান ত্যাগের এখনই সময়।















