ঢাবি প্রতিনিধি: সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ১২ নভেম্বর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বিএনপিকে সমাবেশ করার অনুমতি দেয়া হয়েছে। ‘আর এটাই সরকারের পক্ষ থেকে দলটির প্রতি সহযোগিতা,’ এমন মন্তব্য করেন সেতুমন্ত্রী। বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণ ইউনেস্কো কর্তৃক ওয়ার্ল্ডস ডকুমেন্টারি হেরিটেজের স্বীকৃতি পাওয়া উপলক্ষে বৃহস্পতিবার টিএসসি মিলনায়তনে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ আয়োজিত এক সভায় এসব কথা বলেন ওবায়দুল কাদের।
‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ উপলক্ষ্যে সেই সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া।
সমাবেশকে কেন্দ্র করে কোনো ঝামেলা যাতে না হয় সে ব্যাপারেও বিএনপিকে হুঁশিয়ার করেন ওবায়ুদল কাদের, যিনি আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক।
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের উদ্দেশ্যে কাদের বলেন, ‘শান্তিপূর্ণভাবে কর্মসূচি পালন করলে ভবিষ্যতেও আপনাদের সহযোগিতা করা হবে। তবে কোনো বিশৃঙ্খলা হলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী আপনাদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেবে।’
ইউনেস্কোর স্বীকৃতি
ছাত্রলীগের এই অনুষ্ঠানে স্বাধীনতার ঘোষক বিতর্ক নিয়েও কথা বলেন ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, ‘ঘোষণা পাঠ করলেই স্বাধীনতার ঘোষক হওয়া যায় না। যারা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে ছোট করতে চায় তারাই একমাত্র দাবী করে তাদের নেতা স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন।’
ওবায়দুল কাদের আরো বলেন, ‘যারা ইতিহাস নিয়ে কানামাছি খেলে তাদের ইউনেস্কো বঙ্গবন্ধুর ভাষণকে স্বীকৃতি দিয়ে সমুচিত জবাব দিয়েছে।’
ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণটি ইউনেস্কোর স্বীকৃতি পাওয়ায় বাংলার আনন্দ, গৌরবের কোনো সীমা সেই। সম্মানের সঙ্গে এই ভাষণ ব্যবহার করা হবে। যত্রতত্র নয়। বঙ্গবন্ধু কতোটা বিচক্ষণ ছিলেন তা তার স্বাধীনতা ঘোষণা থেকেই বোঝা যায়।’
ছাত্রলীগের কিছু ঘটনায় বিব্রত কাদের
এছাড়া আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ছাত্রলীগের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘কিছু কিছু ঘটনার কারণে দল খুবই বিব্রত। সিলেট এবং চট্টগ্রামে ছাত্রলীগের দু গ্রুপের সংঘর্ষের ঘটনা তথ্য সন্ত্রাস নয়। সবসময় মনে রাখতে হবে সত্যকে পাশ কাটিয়ে চলে যাওয়া কোনো সমাধান নয়। অনির্দিষ্টকালের জন্য প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণাও কোনো সমাধান নয়। এক্ষেত্রে কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে।’
কমিটিগত জটিলতা অনেকটা দূর হয়েছে জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘ছাত্রলীগের কমিটি তারা নিজেরাই নির্ধারণ করবে। শেখ হাসিনা ছাড়া আর কারো কথা শোনার প্রয়োজন ছাত্রলীগের নেই। অন্য নেতাদের কথা শুনলে তারা ছাত্রলীগকে পাহারাদার হিসেবে ব্যবহা















