আন্তর্জাতিক ডেস্ক: লিবিয়া উপকূলে অভিবাসন প্রত্যাশীদের বহনকারী একটি নৌকাডুবির ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় তিনজনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। পাশাপাশি ঘটনার পর থেকে নিখোঁজ রয়েছে আরও অন্তত ১৩ জন। জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে বাংলাদেশিসহ ২২ জনকে।
তবে, নৌকাটিতে কতোজন ছিলেন তা সঠিকভাবে জানা সম্ভব হয়নি। ধারণা করা হচ্ছে নিহতের সংখ্যা আরো বাড়তে পারে।
এপি এবং ওয়াশিংটন পোস্টের তথ্য অনুযায়ী, লিবিয়ার জেলেরা বৃহস্পতিবার নৌকাটিকে দেখতে পান। তারা ২২ জনকে উদ্ধার করতে পারলেও ১৩ জনের কোনো খোঁজ পাননি।
যারা উদ্ধার হয়েছেন তাদের মধ্যে পাঁচ দেশের নাগরিক রয়েছে; বাংলাদেশ, মিশর, সিরিয়া, সোমালিয়া এবং ঘানা। নিখোঁজ ১৩ জনের ব্যাপারে এখন পর্যন্ত বিস্তারিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
ওয়াশিংটন পোস্টের তথ্য অনুযায়ী, তিনটি লাশ পানিতে ভাসমান অবস্থায় পাওয়া গেছে। এর মধ্যে এক পুরুষ এবং এক নারীর বাড়ি সিরিয়ায়। ত্রিপোলির পূর্বাঞ্চলের এলাকা জিলটেন থেকে গত বুধবার সন্ধ্যায় নৌকাটি যাত্রা শুরু করে। দেশটির কোস্ট গার্ড জানিয়েছে, তারা উদ্ধার কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে।
‘এই দিনগুলোতে অনেক নৌকা লিবিয়া ছেড়ে যাচ্ছে,’ জানিয়ে লিবিয়ার নৌ-কর্মকর্তা মাসউদ আবদাল সামাদ বলেন, শরৎ খুব কঠিন মৌসুম। বাতাস শুরু হলে নদীতে প্রাণঘাতী অবস্থার সৃষ্টি হয়।
লিবিয়ার সাবেক শাসক গাদ্দাফির পতনের পর এই দেশ দিয়ে অনেক অভিবাসী ইউরোপে যাওয়া শুরু করে। পাচারকারীরা প্রায়ই ঝুঁকিপূর্ণ নৌকায় মানুষকে সাগরে ভাসায়। জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৪ সালের পর থেকে এখন পর্যন্ত প্রায় ২০ হাজার মানুষ মারা গেছে এই অঞ্চলে।















