ওয়ানবাংলানিউজ: টাওয়ার হ্যামলেটস বারার যে এলাকাগুলোতে অপরাধিরা মাদক কেনাবেচা ও মারাত্মক অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে অধিকতর তৎপর, সেই এলাকাগুলোতে পুলিশ, কাউন্সিল এবং টাওয়ার হ্যামলেটস’ হোমসের অফিসাররা ঝটিকা অভিযান চালিয়েছেন। বিভিন্ন সূত্র থেকে পাওয়া গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে পরিচালিত এই অভিযানের সময় অফিসাররা বিপদজনক সামগ্রী খুঁজে বের করে তা জব্দ করতে স্থানীয় বাসিন্দা ও ধর্মীয় নেতৃবৃন্দকে সাথে নিয়ে নেইবারহুডগুলোতে চিরুনী অভিযান চালান।

প্রথম তিন দফা তল্লাশিকালে নাইভস খ্যাত ২ ফুট লম্বা ছুরি, রান্নাঘরে ব্যবহৃত বড় আকারের চাকু, রামদা বা চাপাতি উদ্ধার করা হয়। এছাড়া সূঁচ, বেসবল ব্যাট, হাতুড়ি, লাঠি ইত্যাদিও জব্দ করা হয়। টাওয়ার হ্যামলেটসের মেয়র জন বিগস বলেন, নাইফ ক্রাইম রোধ করা ও বারার রাস্তাঘাট থেকে ধারালো অস্ত্রের ঝনঝনানি বন্ধ করতে টাওয়ার হ্যামলেটস কাউন্সিল ও পুলিশের যৌথ প্রচেষ্ঠার উদহারণ হচ্চেছ এই ধারালো অস্ত্র উদ্ধার অভিযান। ধারালো অস্ত্র বহন করার জন্য কোন অজুহাতের সুযোগ নাই।
ছুরি চাকু জব্দকরণ অভিযান থেকে শুরু করে নতুন পুলিশ অফিসার নিয়োগদান এবং স্কুলগুলোতে এ ব্যাপারে শিক্ষামূলক কার্যক্রম পরিচালনা ইত্যাদি কার্যক্রম এটাই প্রমাণ করে যে পূর্ব লন্ডনে নাইফ ক্রাইম বা ধারালো অস্ত্র নিয়ে সহিংস ত্পরতার বিরুদ্ধে আমাদের পক্ষে যতটুকু করার সম্ভব আমরা করে যাচ্চিছ।
কেবিনেট মেম্বার ফর সেফটি, কাউন্সিলর আসমা বেগম বলেন, স্থানীয় এলাকার ইস্যূগুলো সম্পর্কে জানতে এবং তা মোকাবেলায় আমাদের সম্পদ ও শক্তি ব্যবহার করতে আমরা বাসিন্দাদের সাথে ঘনিষ্টভাবে কাজ করতে আগ্রহী। মাদক ও ধারলো অস্ত্রশস্ত্র খুঁেজ বের করতে পরিচালিত প্রথম তিনটি ফ্লাশ স্যুইপ নামের অভিযানে ডজন সংখ্যক বাসিন্দা অংশ নিয়েছেন।
বারার অন্যান্য নেইবারহুডে যখন আমরা এ ধরনের অভিযান চালাবো তখন আরো বিপুল সংখ্যক বাসিন্দা তাতে স্বতচ্ঞস্ফুর্তভাবে অংশ নিবেন বলে আমি আশাবাদি। ডিটেক্টিভ চীফ সুপারেন্টেন্ডেন্ট স্যু উইলিয়ামস’ বলেন, আকস্মিক তল্লাশি অভিযান পরীক্ষিত কৌশল যা অনেক দিন ধরেই পুলিশ ব্যবহার করে আসছে।
তবে এবারের এই তল্লাশি অভিযানের গুরুত্বপূর্ণ দিকটি হলো এর সাথে কমিউনিটির স্বতস্ফুর্ত অংশগ্রহণ। এর মানে হলো আমাদের বারার রাস্তাঘাট থেকে নাইফ ক্রাইম নির্মূলে আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে যাচ্চিছ। তিনি বলেন, এটা খুবই আশার কথা যে পুলিশ, বাসিন্দা, স্থানীয় কর্তৃপক্ষ এবং কমিউনিটি নেতৃবৃন্দ তাদের ব্যস্ততম সময় থেকে কিছুটা সময় বের করে আমাদের এই উদ্যোগে সামিল হয়েছেন। পরবর্তী অভিযান মধ্য আগষ্টে অনুষ্ঠিত হবে। পুলিশ বাসিন্দাদের ঘরের দরোজায় নক করবে, এবং তাদের সাথে তল্লাশিতে অংশ নিতে আমন্ত্রণ জানাবে।















