আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ওয়াহাবিবাদের প্রসারের জন্য বিদেশের বিভিন্ন মসজিদ ও মাদ্রাসায় বিনিয়োগ করেছিল সৌদি আরব। মার্কিন-সোভিয়েত স্নায়ুযুদ্ধের সময় সমাজতন্ত্র ঠেকাতে এধরনের প্রচারে উৎসাহ দিয়েছিল পশ্চিমারা। যুক্তরাষ্ট্রে সফরে গণমাধ্যমকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে এমনটাই দাবি করেছেন সৌদি প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান।
গত ২২ মার্চ দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট পত্রিকায় এ সংক্রান্ত প্রতিবেদনটি প্রকাশিত হয়।
সাক্ষাৎকারে সৌদি প্রিন্স বলেন, স্নায়ুযুদ্ধের সময় যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে তার দেশের সুসম্পর্ক ছিল। তখন বিদেশি মসজিদ ও মাদ্রাসায় বিনিয়োগ করেছিল সৌদি আরব। তৎকালীন মিত্র দেশগুলোই এ কাজ করতে বলেছিল। মূলত তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন যেন মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ বিভিন্ন দেশে প্রভাব বিস্তার করতে না পারে, সে জন্যই এ পদক্ষেপ নেয়া হয়েছিল।
তিনি আরও বলেন, ওয়াহাবিবাদের প্রচারে অর্থায়ন যেভাবে শুরু হয়েছিল, তা পরে আর সৌদি সরকারের নিয়ন্ত্রণে থাকেনি। তাই এখন সৌদি সরকার এ ধরনের বিনিয়োগ করছে না। এখন এসব তহবিলের বেশির ভাগই যায় বিভিন্ন সৌদি ফাউন্ডেশন থেকে।
প্রসঙ্গত, ২০১৩ সালে ইউরোপীয় পার্লামেন্ট ওয়াহাবিবাদকে ‘বিশ্ব সন্ত্রাসের আঁতুরঘর’ হিসেবে চিহ্নিত করে।















