খেলাধুলা ডেস্ক: নিজের স্পিন জাদুতে প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করা তার অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। এবার ব্যাট হাতেও নৈপুণ্য দেখিয়েছেন আফগানিস্তানের লেগ স্পিনার রশিদ খান। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সিরিজের শেষ ওয়ানডেতে দলের বড় জয়ে অগ্রণী ভূমিকা রেখেছেন এই তারকা ক্রিকেটার।
সোমবার সংযুক্ত আরব আমিরাতের শারজাহ স্টেডিয়ামে ১৪৬ রানের বিশাল ব্যবধানে জয় পায় আফগানিস্তান। এতে ৫ ম্যাচের সিরিজ ৪-১ ব্যবধানে জিতে নিয়েছে যুদ্ধ বিধ্বস্ত দেশটি।
এদিন টস জিতে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে ২৪১ রান সংগ্রহ করে আজগর স্ট্যানিকজাইয়ের দল।
আফগানিস্তানের বোলিং দাপটে ৩২.১ ওভারে মাত্র ৯৫ রানেই গুটিয়ে গ্রায়েম ক্রেমারের দল।
এদিন প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ১৩ রানে প্রথম উইকেট হারায় আফগানরা। জাভেদ আম্মাদি ও রহমত শাহ মিলে দ্বিতীয় উইকেটে যোগ করেন ১২৯ রান। দলীয় ১৪৮ রানের দুজনেই ফিরে যান। আম্মাদি দলীয় সর্বোচ্চ ৭৬ ও রহমত ৫৯ রান করেন।
এরপর দ্রুত উইকেট হারাতে থাকে আফগানিস্তান। ৭ উইকেটের বিনিময়ে ১৭৭ রানের মাথায় ৫১ রানের জুটি গড়ে দলকে ২০০ রানের গন্ডি পার করান রশিদ ও শারাফউদ্দিন আশরাফ।
দলীয় ২২৮ রানে আশরাফ আউট হন। আর ইনিংসের শেষ বলে ব্যক্তিগত ৪৩ রানে আউট হন রশিদ। তার আগে দলের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৪১ রানে। ২৯ বলে ৩টি করে ছক্কা ও চার হাঁকান রশিদ।
জিম্বাবুয়ের হয়ে তেন্ডাই চাতারা, ব্লেসিং মুজারাবানি ও সিকান্দার রাজা তুলে নেন দুটি করে উইকেট।
২৪২ রানের টার্গেটে খেলতে নেমে ২৬ রানেই দুই উইকেট হারায় হিথ স্ট্রিকের শিষ্যরা। তবে সম্মান রক্ষার এই ম্যাচে আশা দেখাচ্ছিল ব্রেন্ডন টেলর ও ক্রেইগ আরভিনের ৪৬ রানের জুটি। ৭২ রানে তৃতীয় ব্যাটসম্যান হিসেবে টেলর সাজঘরে ফেরার পরই ভেঙে পড়ে জিম্বাবুয়ের ব্যাটিং অর্ডার।
মাত্র ২৩ রানে শেষ ৭ উইকেট হারায় দলটি। তবে আরভিনের ৭৫ বলে ৩৪ ও অধিনায়ক গ্রায়েম ক্রেমারের ২৪ বলে ৮ রানের সুবাদে ৩২.১ ওভার পর্যন্ত লম্বা হয় জিম্বাবুয়ের ইনিংস।
দলটির শেষ ছয়জনের ৫ জনই শূন্য রানে আউট হয়েছেন।
এদিন দুটি করে উইকেট পেয়েছেন দুই স্পিনার আশরাফ ও মোহাম্মদ নবী। রশিদ মাত্র ১৩ রান খরচ করে তুলে নেন ৩টি উইকেট।
৭ ওভারে ১৫ রান দিয়ে দুই উইকেট নিয়ে ম্যাচসেরা হয়েছেন আশরাফ। মাত্র ৭.৯৩ গড়ে ১৬ উইকেট নিয়ে সিরিজ সেরার পুরস্কার পেয়েছেন রশিদ।















