সাইফ হাসান: চীন যুক্তরাজ্যের রাজনীতিবিদদের বিরুদ্ধে ‘অহংকার, অজ্ঞতা ও বিকৃত মানসিকতার’ অভিযোগ তুলেছে। ব্রিটিশ স্টিলের মালিক চীনা কোম্পানি জিংয়ের বিরুদ্ধে সমালোচনার জবাবে বুধবার লন্ডনে চীনা দূতাবাস এই মন্তব্য করে। স্কানথর্পে ব্রিটিশ স্টিলের ব্লাস্ট ফার্নেস বন্ধের হুমকির পর যুক্তরাজ্য সরকার জরুরি আইনের মাধ্যমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়। এ ঘটনায় দুই দেশের সম্পর্কে নতুন টানাপোড়েন শুরু হয়েছে।
চীনা দূতাবাস তাদের ওয়েবসাইটÇবলেছে, “কিছু ব্রিটিশ রাজনীতিবিদের চীন-বিরোধী বক্তব্য অত্যন্ত হাস্যকর। এটি তাদের অহংকার ও অজ্ঞতার প্রতিফলন।” তারা অভিযোগ করেছে, যুক্তরাজ্যের কিছু ব্যক্তি চীনা কোম্পানি ও সরকারের বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচার চালাচ্ছে।
ব্রিটিশ স্টিলের মালিক জিংয়ে ২০২০ সাল থেকে কোম্পানিটি পরিচালনা করছে। সম্প্রতি তারা স্কানথর্পে ব্লাস্ট ফার্নেস বন্ধের ঘোষণা দেয়, যাতে ২,৭০০ চাকরি হুমকির মুখে পড়ে। যুক্তরাজ্যের ব্যবসা সচিব জোনাথন রেনল্ডস জিংয়ের সিদ্ধান্তের সমালোচনা করে বলেন, “তারা সৎভাবে কাজ করেনি।” তিনি রোববার বলেন, “আমি ব্যকতিগতভাবে ইস্পাত খাতে চীনা কোম্পানির বিনিয়োগের পক্ষে নই।”
জিংয়ে বুধবার ফিনান্সিয়াল টাইমসকে দেওয়া বিবৃতিতে বলেছে, “আমরা যুক্তরাজ্য সরকারের কাছে জিংয়ের বৈধ অধিকার ও স্বার্থ রক্ষার আহ্বান জানাই।” তারা দাবি করেছে, তারা আগে চাকরি বাঁচিয়েছে এবং কারখানায় বিনিয়োগ করেছে।
এদিকে, চীনা দূতাবাস জিংয়ের ফার্নেস বন্ধের সিদ্ধান্তকে ‘স্বাভাবিক ব্যবসায়িক সিদ্ধান্ত’ বলে উল্লেখ করে। তারা সতর্ক করে বলেছে, এই বিরোধ যুক্তরাজ্যে চীনা বিনিয়োগের আস্থা ক্ষুণ্ন করতে পারে।
যুক্তরাজ্য সরকারের একজন মুখপাত্র বলেন, “আমরা চীনর সঙ্গে সম্পর্কে দীর্ঘমেয়াদী ও কৌশলগত দৃষ্টিভঙ্গি নেব। আমরা যুক্তরাজ্যের ব্যবসাকে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ততায় সমর্থন করব, তবে ঝুঁকি সম্পর্কে সতর্ক থাকব।”
এই প্রতিবেদনের সূত্র: The Guardian















