খেলাধুলা ডেস্ক: ক্যারিয়ারে গড়টা প্রায় ৫০-এর কাছাকাছি। তবে এশিয়ার মাঠে হলেই ওয়ার্নার যেন নিজেকে হারিয়ে ফেলেন। স্পিনের সামনে কোনোভাবেই নিজেকে মেলে ধরতে পারছিলেন না বিধ্বংসী এই ওপেনার। ২০১৪ সালে পাকিস্তানের বিপক্ষে সংযুক্ত আরব আমিরাতে করেছিলেন সেঞ্চুরি। এশিয়ায় সেটিই ছিল ওয়ার্নারের একমাত্র সুখস্মৃতি। বাংলাদেশের বিপক্ষে প্রথম ইনিংসেও স্পিনারদের সামনে ধুঁকতে দেখা গেছে এই ব্যাটসম্যানকে। তবে দ্বিতীয় ইনিংসে দলের প্রয়োজনের সময় দারুণভাবে ফিরে এলেন ডেভিড ওয়ার্নার। দুর্দান্ত এক সেঞ্চুরি করে দলকে জয়ের পথে রেখেছেন তিনি। এশিয়ায় ওয়ার্নারের এটি দ্বিতীয় শতক।
শতকের পরই অবশ্য ফিরে যান ডেভিড ওয়ার্নার। সাকিব আল হাসানের বলে লেগবিফোর হয়ে ফিরে যান তিনি। আউট হওয়ার আগে ১১২ রান করেন এই অসি ওপেনার।
এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ৩ উইকেটে ১৫৭ রান তুলে নিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। অধিনায়ক স্মিথ ৩৩ রানে অপরাজিত রয়েছেন, সঙ্গী পিটার হ্যান্ডসকম্বের সংগ্রহ ১। জয়ের জন্য আর ১০৬ রান চাই সফরকারীদের। এর আগে ২ উইকেটে ১০৯ রান নিয়ে চতুর্থ দিনের খেলা শুরু করে অস্ট্রেলিয়া।
মিরপুর টেস্টের তৃতীয় দিন বাংলাদেশের দেওয়া ২৬৫ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে ২৮ রানের মধ্যেই দুই উইকেট হারিয়ে বসে সফরকারীরা। সেখান থেকে ১৩০ রানের দারুণ একটা জুটি গড়ে ম্যাচটা নিজেদের পক্ষে নিয়ে যাওয়ার কাজটা করেন ওয়ার্নার-স্মিথ।
মঙ্গলবার শুরুতেই অসি ওপেনার ম্যাট রেনশকে ফেরান মেহেদী হাসান মিরাজ। পরের ওভারে উসমান খাজাকে ফেরান সাকিব আল হাসান। ইনিংসের শুরুতে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে খেলছিলেন ম্যাট রেনশ। তবে নবম ওভারে মিরাজের নিচু হয়ে আসা বলটা ঠেকাতে পারেননি অসি ওপেনার। বল গিয়ে লাগে তাঁর প্যাডে। ফিল্ডারদের আবেদনে সাড়া দিতে দেরি হয়নি আম্পায়ারের। পরের ওভারে সাকিবকে উড়িয়ে মারতে যান উসমান খাজা। স্পিনের বিপক্ষে কখনই সাবলীল ছিলেন না এই ব্যাটসম্যান। ফিরতে পারতেন ডেভিড ওয়ার্নারও। তবে স্লিপে ক্যাচ ছেড়েছেন সৌম্য সরকার।
এর আগে জয়ের জন্য অস্ট্রেলিয়ার সামনে ২৬৫ রানের লক্ষ্য রাখে বাংলাদেশ। দ্বিতীয় ইনিংসে সবকটি উইকেট হারিয়ে ২২১ রান তোলে মুশফিকের দল। প্রথম ইনিংসে ২৬০ রান করেছিল বাংলাদেশ। জবাবে ২১৭ রানে অলআউট হয় অস্ট্রেলিয়া।















