মাহবুব আলী খানশূর: গ্রেট রিপিল বিল এর খসড়া বৃহস্পতিবার প্রকাশ করেছে সরকার। মনে করা হচ্ছে এই বিল নিয়ে বড় ধরনের সাংবিধানিক সংকটে পড়তে যাচ্ছে ব্রিটেন।
ব্রেক্সিটের পর ইউরোপিয় ইউনিয়নের ১২ হাজারের বেশি আইনকে ব্রিটেনে সংবিধিবদ্ধ করার প্রক্রিয়া এই গ্রেট রিপিল বিল। এই বিলের সুবাদে ব্রিটেনের মন্ত্রীরা পার্লামেন্টের সঙ্গে আলোচনা ছাড়াই আইন পরিবর্তন করতে পারবেন। তবে এই বিল পাসের বিষয় নিয়ে প্রতিবাদ করেছে বিরোধী দলগুলো।
এর আগে শরতকালীন অধিবেশনেও এই বিল নিয়ে সংসদে তুমুল বিতর্ক হয়। বিরোধী এমপিরা এই বিলের প্রতিবাদ করলে প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে বিলটি সংস্কারের মাধ্যমে পাস করা হবে বলে আশ্বাস দিয়েছিলেন। কিন্তু গতকাল প্রকাশিত বিলের খসড়ায় তা দেখা যায়নি। তাই স্কটল্যান্ড ও ওয়েলসের উভয় দেশের ফার্স্ট মিনিস্টার এই বিলের বিরোধীতা করে তা আবারো সংস্কারের আহবান জানিয়েছেন। এই বিল পাস হলে ইউরোপিয় ইউনিয়নের আইনগুলো আধিপত্য হারাবে বলে শঙ্কা তাদের।
এদিকে প্রধান বিরোধী দল লেবার পার্টির নেতা জেরেমি করবিন রিপিল বিলের ছয়টি খাতে পরিবর্তনের আহবান জানিয়েছেন। তিনি ইউরোপিয় ইউনিয়নের নাগরিকদের ব্রিটেনে মৌলিক মানবাধিকার ও কাজ করার অধিকার দিতে সরকারের কাছে দাবি জানিয়েছে। রিপিল বিল বর্তমানে যে রুপে আছে সেভাবে পাসের চিন্তা করলে তাতে সমর্থন দেবে না বলে স্পষ্ট করে জানিয়ে দিয়েছেন প্রধান বিরোধী দল লেবার পার্টির শেডো ব্রেক্সিট মন্ত্রী স্যার কেইর স্টারমার। আর এই বিল ব্রিটেনকে বিপদে ফেলবে বলে মন্তব্য করেছেন অপর বিরোধী দল লিবডেম এর নেতা টিম ফেরন। এসএনপি এই বিলের মাধ্যমে কারা উন্নত দেশের মর্যাদা পেতে যাচ্ছে তা স্পষ্ট করার দাবি জানিয়েছে।














