আন্তর্জাতিক ডেস্ক: সৌদি আরবের রাজতন্ত্রবিরোধী সাংবাদিক জামাল খাসোগি হত্যার বিচারে মার্কিন কংগ্রেস সহায়তা করবে বলে আশা করছেন তার বাগদত্তা খাদিজা সেনগিজ।
ওয়াশিংটন পোস্টের ওই কলাম লেখকের বাগদত্তা আরও বলেন, কংগ্রেসের একটি সংসদীয় উপকমিটির সঙ্গে বৈঠকের পর জানতে পারি, এ হত্যাকাণ্ডে যুক্তরাষ্ট্র যে নীতিগ্রহণ করেছে- তার সঙ্গে অনেক এমপিই একমত না। খবর আনাদোলুর।
তারা ওই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চান। গত বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত ওই বৈঠকে তিনি খাসোগি হত্যাকাণ্ডের নতুন করে আন্তর্জাতিক তদন্ত দাবি করেন মার্কিন এমপিদের কাছে।
তিনি এ ব্যাপারে ট্রাম্প প্রশাসনের নেয়া পদক্ষেপের কঠোর সমালোচনা করেন।
গত ২ অক্টোবর খাসোগি ইস্তানবুলের সৌদি কনস্যুলেটে ঢুকে নিখোঁজ হওয়ার পর সৌদি আরব প্রথমে তার ব্যাপারে কিছু জানা থাকার কথা অস্বীকার করেছিল।
পরে তারা ওই কনস্যুলেটেই খাসোগি খুন হওয়ার কথা স্বীকার করে এবং ঘুষাঘুষিতে তিনি মারা যান বলে জানান।
এ ঘটনার পর তা প্রথম প্রকাশ্যে নিয়ে আসেন খাসোগির বাগদত্তা খাদিজা সেনগিজ।
তিনি বলেন, সৌদি আরবে তার পরিবার সম্পর্কে আমার কাছে খুব বেশি তথ্য ছিল না। তিনি আমাকে বলেছিলেন, রাজনৈতিক কারণে তার আগের বিয়ে ভেঙে গেছে। তিনি খুবই দুঃখিত ও বিষণ্ণ ছিলেন।
‘সৌদি আরবে তার বন্ধুদের ভাগ্যে কী ঘটেছে, তা তিনি জানতেন না বলে খাসোগি আক্ষেপ করতেন।’
যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান কয়েকশ ভিন্ন মতাবলম্বীকে আটক রেখেছেন। যাদের মধ্যে খাসোগির বন্ধুরাও ছিলেন।
খাদিজা বলেন, সৌদি আরবে অবস্থান করা তার বন্ধুরা রাজতন্ত্রের বিরুদ্ধে লিখতে পারছিলেন না। কাজেই লেখালেখি করাকে নিজের দায়িত্ব হিসেবে বেছে নেন খাসোগি।















