আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ভারতের জম্মু-কাশ্মীর রাজ্যে তীর্থযাত্রীদের বহনকারী বাসে সন্ত্রাসী হামলায় ছয় নারীসহ সাতজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরো ১৯ জন।
স্থানীয় সময় সোমবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে হিন্দুদের অন্যতম পবিত্র স্থান অমরনাথ গুহা থেকে ফেরার পথে কাশ্মীরের অনন্তনাগ জেলায় তীর্থযাত্রীরা এই হামলার শিকার হন।
এনডিটিভির খবরে বলা হয়, হামলার পর কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী মেহবুবা মুফতি এক বিবৃতি দিয়েছেন। এতে তিনি বলেন, ‘এটা (হামলা) আমাদের মূল্যবোধ ও ঐতিহ্যের ওপর আঘাত, যা আমরা ভালোবেসে ধারণ করি। অপরাধীদের একচুলও ছাড় দেবো না।’
মেহবুবা আহত ব্যক্তিদের দেখতে অনন্তনাগ হাসপাতালে যান।
হামলার পর এক টুইট বার্তায় নরেন্দ্র মোদি বলেন, ‘শান্তিপূর্ণ জম্মু-কাশ্মীরে পুণ্যার্থীদের ওপর কাপুরুষোচিত হামলার ঘটনা সত্যিই দুঃখজনক। এমন কষ্ট ভাষায় প্রকাশ করা যায় না। সবার উচিত এ হামলার কঠোর নিন্দা জানানো। এই কাপুরুষোচিত হামলা দিয়ে কখনো ভারতকে কাবু করা যাবে না। দুর্বৃত্তরা কেবল ঘৃণাই ছড়ায়।’
ঘটনার শিকার এক যাত্রী বলেন, ‘বাসের উভয় দিক থেকে যখন হামলা শুরু হলো, আমরা তখন ঘুমাচ্ছিলাম। আমরা জানি না, সেখানে কতজন মানুষ ছিল।’
তীর্থযাত্রীদের নিরাপত্তা দেওয়ার জন্য এই রুটে ৪০ হাজার সেনা মোতায়েন করা হয়েছিল বলে জানিয়েছে স্থানীয় পুলিশ।
অনেকে এ হামলার জন্য কাশ্মীরের বিচ্ছিন্নতাবাদীদের দুষছেন। তবে স্থানীয় বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতা সৈয়দ আলি গিলানি এ হামলার নিন্দা জানিয়েছেন। তাঁর মুখপাত্র এটাকে সন্ত্রাসী হামলা বলে আখ্যা দিয়েছেন।
কাশ্মীরের সশস্ত্র সংগঠন লস্কর-ই-তৈয়্যবাও এ হামলার নিন্দা জানিয়েছে। সংগঠনটির মুখপাত্র বলেন, ‘কাশ্মীরের শান্তিপূর্ণ আন্দোলনকে কলুষিত করতেই এ হামলা।’















