ওয়ানবাংলানিউজ: সকল শ্রেণীর মানুষের আন্দোলনের ফলে লেবার দলীয় টাওয়ার হ্যামলেটস কাউন্সিল কমিউনিটি ল্যাঙ্গুয়েজ সার্ভিসের বাজেট কর্তনে কিছুটা নমনীয় হওয়ায় সর্ব
স্থরের কমিউনিটির মানুষের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন বাংলাদেসি টিচার্স এসোসিয়েশন ইউকে। সম্প্রতি এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে সংগঠনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, গত ১০ ডিসেম্বর লেবার দলীয় গ্রুপে কমিউনিটি ল্যাঙ্গুয়েজ সার্ভিস প্রথম বছর ৩১ হাজার দ্বিতীয় বছরে তিনশো পঞ্চাশ হাজার এবং তৃতীয় বর্ষে দুইশত পঞ্চাশ হাজার কর্তনের মাধ্যমে অর্থাৎ কাউন্সিল কর্তৃক সমুদয় অনুদান বন্ধ করে টিউশনি প্রথা চালু করার উদ্যোগ একতরফাভাবে নিয়েছিল।
কিন্তু বাংলাদেশ টিচার্স এসোসিয়েশন সমগ্র কমিউনিটি ওরগানাইজেশন, পেরেনটস, শিক্ষক, কমিউনিটি অ্যাক্টিভিস্ট, সাংবাদিক এবং মিডিয়া সহ সকল শ্রেণীর মানুষদেরকে নিয়ে কাউন্সিলের এই ল্যাঙ্গুয়েজ সার্ভিস বন্ধ করার বিরুদ্ধে তীব্র আন্দোলন গড়ে তুলে।
গত বুধবার ২০ ফেব্রুয়ারী টাওয়ার হামলেটস কাউন্সিল অধিবেশনে মেয়র জন্ বিগস আনীত প্রস্তাবে এবং কাহার চৌধুরীর সমর্থনে আনীত প্রস্তাব কাউনসিলে গৃহীত হয়। কাউন্সিল অধিবেশনে গৃহীত প্রস্তাবে প্রথম বছর ৩১ হাজার টাকা কর্তনের সিদ্ধান্তকে নতুন রিক্রুটমেন্ট না নেয়ার মাধ্যমে এখানে আয় দেখান হয়।
দ্বিতীয়তঃ, একটি ওয়াকিং গ্রপ করে রিভিউ এর মাধ্যমে, সার্ভিস ইউজারদের উপর ফি প্রবর্তনের মাধ্যমে কমিউনিটি ল্যাঙ্গুয়েজে সার্ভিস চালানো যায় কিনা তা খতিয়ে দেখার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।
তৃতীয়ত: নতুন কোন রিক্রুটমেন্ট না করে আর কোন সেভিংস কিংবা পরিবর্তন বছরের শেষ প্রান্তে পুরো কাউন্সিল অধিবেশনের মতামত ছাড়া গৃহীত হবে না।
চতুর্থত: কোন পরিবর্তন পরিবর্ধন সম্পূর্ণ কনসালটেশন এবং অ্যাসেসমেন্ট ব্যতিরেকে গৃহীত হবে না।
নতুন গৃহীত এই প্রস্তাব বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় যে টাওয়ার হ্যামলেটস কাউন্সিল তাদের একক সিদ্ধান্তে পরিবর্তে সমগ্র অরগানাইজেশন কিংবা স্টেকহোল্ডারদের নিয়ে ওয়ার্কিং গ্রুপ গঠন করে আলাপ-আলোচনার ভিত্তিতে ভবিষ্যতে কমিউনিটি ল্যাঙ্গুয়েজ সার্ভিস প্রথা চালু রাখার সিদ্ধান্তে অটল থাকবে।
বাংলাদেশ টিচার্স এসোসিয়েশন ইউকে কাউন্সিলের এই সিদ্ধান্তকে গঠনমূলক বলে উল্লেখ করে। এবং অচিরেই ওয়ার্কিং গ্রুপ গঠন করার জন্য মেয়র জন বিগস এর প্রতি আহ্বান জানানো হয়।
সাথে সাথে মাতৃভাষা রক্ষার এ লড়াইয়ে যারা সময় দিয়েছেন, ত্যাগ স্বীকার করেছেন, লেখনি ধারা, টেলিভিশনে টক শোর আন্দোলনের গতি কে সফল করে তুলেছেন । বিশেষ করে বিশিষ্ট কমিউনিটি অ্যাক্টিভিস্ট সাবেক মেয়র গোলাম মর্তুজা, আপসানা উদ্দিন, আলহাজ্ব আতিক মিয়া, কে এম আবু তাহের চৌধুরী, ফরিদ আহমদ রেজা, কাউন্সিলর পারু মিয়া, কাউন্সিলর গ্যাব্রিয়েলা, , কাউন্সিলর রুবিনা খান, কাউন্সিলর তারিখ খান সহ আরো কাউন্সিলার বৃন্দ, লন্ডন বাংলা প্রেসক্লাবের সভাপতি এমদাদ চৌধুরী ছাড়াও সাপ্তাহিক দেশ, সাপ্তাহিক পত্রিকা, সাপ্তাহিক সুরমা, সাপ্তাহিক জনমত, লন্ডন বাংলা প্রেসক্লাব, চ্যানেল এস, টিভিওয়ান, এটিএন বাংলা, এলবি ২৪, ওয়ানবাংলানিউজ, ব্রিট বাংলা, সাপ্তাহিক বাংলাপোস্ট, বাংলাদেশ প্রতিদিনসহ প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়া সাংবাদিক বৃন্দ সকলের প্রতি বাংলাদেসি টিচার্স এসোসিয়েশন ইউকে এর সভাপতি মোঃ আবু হোসেন এবং সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল বাসিত চৌধুরী কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, যা কিছু অর্জন কমিউনিটির সকলের সক্রিয় প্রচেষ্টার ফলে, সফল আন্দোলনের মাধ্যমে তা সম্ভব হয়েছে। তারা আরো বলেন মাতৃভাষা এটা একটা জাতীয় ইস্যু এখানে কম্প্রোমাইজ এর কোন সুযোগ নেই।
এখানে উল্লেখ্য যে বাংলাদেশ টিচার্স এসোসিয়েশন এর নেতৃত্বে আন্দোলন কে আরো গতিশীল করার জন্য এবং কাউন্সিল কর্তৃক গৃহীত সিদ্ধান্তের একটি পর্যালোচনা করার জন্যএকটি রিভিউ মিটিং আগামী সোমবার ব্রিকলেনে একটি হোটেলে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।















