ইস্ট লন্ডনে অগ্নিকান্ডে নিহত কিশোরীর ছবি প্রকাশ

2106

জাকির হোসেন কয়েছ: বাংলাদেশী অধ্যুষিত টাওয়ার হ্যামলেটসের সেন্ট পলসওয়তে অগ্নিকান্ডের ঘটনায় আতংকিত হযে ৪তলা ভবন থেকে লাফ দিয়ে রাস্তায় পড়ে নিহত তরুনীর ছবি প্রকাশ করা হয়েছে। তার বয়স ১৭ বলে জানিয়েছে বিবিসি। তার নাম মেই লিন ডুং। সে তাঁর জীবন বাঁচাতে তার বেড রোমের জানালা দিয়ে লাফ দেয়।

একজন প্রত্যক্ষ দর্শী জানিয়েছেন, আগুন থেকে বাঁচতে সে জ্বানালা দিয়ে বেডসীট বেঁধে নিজে রক্ষা করার চেস্টা করে। কিন্তু দুভার্গ্য
বসত সে দোকানের সামনে রাস্তায় পড়ে যায়। পুলিশ জানায় তাকে বাঁচাতে সব ধরনের চেস্টা করা হয়েছে। কিন্তু সে ঘটনাস্থলেই মারা যায়।

আগুন লাগার কিছুক্ষনের মধ্যেই ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা চলে আসে এবং তার ছোট ভাইকে ঘর থেকে উদ্ধার করে। একই সাথে এই ভবনের ৫০জন বাসিন্দা থেকে নিরাপদে বের করে আনে। একই সময় ধুয়ায় আক্রান্ত চারজনকে প্রাথমিক চিকিসা দেয়া হয়।

এই ভবনের বাসীন্দা প্রত্যক্ষদর্শী ৪১ বছর বয়সী হেলাল মিয়া জানান তিনি সকাল ৫টায় ভবনের অগ্নিকান্ডের কারনে হইচই শুনেন। তিনি বলেন, মেয়েটির বেড রোমে আগুন লাগায় সে জানালা দিয়ে বের হওয়ার চেস্টা করে। সে বেডসীটকে দড়ির মত করে নামতে চায় এবং পড়ে যায়।

এদিকে ২৪ ঘন্টার ব্যবধানে ইস্ট লন্ডনে এটি দ্বিতীয় অগ্নিকান্ডের ঘটনা। গত রবিবার বাংলাদেশী অধুষ্যিত বারা টাওয়ার হ্যামলেটস এর বো এলাকার বোওয়ার্ফ বিল্ডিংয়ে অপর অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটেছিল।

জানা যায়, মাইল্যান্ডের সেন্ট পলসওয়ের একটি ফ্লাটের তৃতীয় ও চতুর্থ তলায় আগুন লাগার পর ৬টার দিকে ইমার্জেন্সি ক্রুকে জানানো হলে তারা ঘটনাস্থলে পৌছে। তারা ফ্লাটের বাইরে আনুমানিক ১৭ বছর বয়সী এক কিশোরীকে খুজে পায়। ঘটনাস্থলেই তাকে মৃত ঘোষনা করা হয়েছে।

প্যারামেডিকস আরো ৪ জনকে চিকিৎসা দিয়েছে। তাদের মধ্যে কেউ মারাত্মকভাবে আহত হয়নি। কোন কারণে এ অগ্নিকান্ডের সুত্রপাত হয়েছে এখনও তদন্ত চলছে।

ওয়েস্ট লন্ডনের গ্রেনফেল ট্রাজিডির পর এ নিয়ে ৪র্থ বারের মতো বাঙালী অধ্যুষিত টাওয়ার হ্যামলেটসে অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটেছে।