ওয়ানবাংলানিউজ: টাওয়ার হ্যামলেটসের নির্বাহী মেয়র জন বিগস সমাজে নারী এবং বালিকা নির্যাতন প্রতিরোধে আরো জোরদার পদক্ষেপ নেয়ার জন্য সরকারের প্রতি দাবী জানিয়েছেন। গত ২৩ জানুয়ারী, বুধবার কাউন্সিল অধিবেশনে নারী এবং বালিকা নির্যাতন প্রতিরোধে ষ্ক্রট্যাকেল ভায়োলেন্স এগেইনস্ট ওমেন এন্ড গার্লসম্ব শীর্ষক মোশন পাশের পর মেয়র এই প্রতিক্রিয়া জানান। মেয়রের ট্যাকেলিং পোভার্টি এন্ড ইনইকুয়ালিটি বিষয়ক এডভাইজার এবং লেবার দলীয় কাউন্সিলার ইভ ম্যাককিউলিয়ান মোশনটি উত্থাপন করেন। মোশনে এধরনের নির্যাতন বন্ধে নিবেদিত সার্ভিসগুলো রক্ষায় সরকারের কাছ থেকে আরো সহযোগিতা চাওয়া হয়।
মোশনে উল্লেখিত পরিসংখ্যান থেকে জানা যায়, টাওয়ার হ্যামলেটসে সংগঠিত বিভিন্ন সামাজিক সহিংসতার শিকার ৭০% ভুক্তভোগীই হচ্চেছন মহিলা এবং প্রতি ৩ জন মহিলা ও বালিকার মধ্যে ১ জন শুধুমাত্র স্ত্রী লিঙ্গের জন্য নির্যাতিত হয়ে থাকেন।
অন্যদিকে ইউকেম্বতে প্রতি সপ্তাহে দুজন মহিলা খুন হন তার সাবেক অথবা বর্তমান পার্টনার কতৃক এবং প্রতি ৫ জন মহিলার মধ্যে ১ জন জীবনে কোন না কোন সময় ধর্ষনের শিকার হয়েছেন। মোশনে উত্থাপিত পরিসংখ্যান থেকে আরো জানা যায়, ২০১০ সালে ব্যয় সংকোচন নীতি শুরু হবার পর মহিলা এবং বালিকাদের সুরক্ষা দেয়ার জন্য গঠিত বিভিন্ন সার্ভিস প্রায় ধধ্বংস হয়ে গেছে। ভুক্তভোগীদের মধ্যে যারা রিফিউজি হিসাবে আশ্রয় চাচ্চেছন তাদেরকে স্থানাভাবে ফিরিয়ে দেয়া হচ্চেছ।
মোশনে নতুন বেনিফিট পদ্ধতি ইউনিভার্সেল ক্রেডিটেরও সমালোচনা করা হয়। বলা হয়, প্রতিটি পরিবারের জন্য একটি মাত্র পেমেন্ট একাউন্ট চালু করায় ভুক্তভোগীর আর্থিক নিয়ন্ত্রন নির্যাতনকারীর হাতে চলে যাবার আশংকা সৃষ্টি হয়েছে। এছাড়া বর্তমানে হাউজিং বেনিফিটকে রিফিউজি খাতে ব্যবহার করা হচ্চেছ। উল্লেখ্য যে, এর আগে মেয়র জন বিগস এবং কমিউনিটি সেইফটি বিষয়ক কেবিনেট মেম্বার কাউন্সিলার আসমা বেগম ষ্ক্রট্যাকেল ভায়োলেন্স এগেইনস্ট ওমেন এন্ড গার্লসম্ব শীর্ষক চার্টারে স্বাক্ষর করেন।
মেয়র তার প্রতিক্রিয়ায় আরো বলেন, ২০১০ সালের পর সেন্ট্রাল গর্ভনমেন্ট কতৃক টাওয়ার হ্যামলেটস কাউন্সিলের ৬৪% কোর ফান্ড কেটে নেয়ার পরও নির্বাচিত হবার পর থেকেই এসংক্রান্ত সার্ভিসকে আমি রক্ষা করেছি। আর এজন্যই সহকর্মী কতৃক উত্থাপিত মোশনটিকে আমি সমর্থন জানিয়েছি। কেবিনেট মেম্বার কাউন্সিলার আসমা বেগম তার প্রতিক্রিয়ায় বলেন, মেয়রের মেনিফেস্টু কমিটম্যান্টের অংশ হিসাবে কাউন্সিল গত নভেম্বরে এসংক্রান্ত চার্টারে স্বাক্ষর করেছে।
মূলত কাউন্সিল এব্যাপারে ব্যাপকভাবে সক্রিয় রয়েছে। এব্যাপারে আমরা আমাদের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে দৃঢ়ভাবে কাজ করে চলেছি। আমরা একাজে চ্যাম্পিয়ন হতে চাই।















