বিশ্বনাথে আরও ১১টি চোরাই গরু উদ্ধার

943

বিশ্বনাথ প্রতিনিধি: সিলেটের বিশ্বনাথে শুক্রবার দিবাগত ভোর রাতে ১১টি চোরাই গরু’সহ ২ চোরকে আটকের পর ওই চোরদের স্বীকারোক্তিতে শনিবার রাতে আরোও ১১টি চোরাই গরু উদ্ধার করেছে থানা পুলিশ। উপজেলার সদর ইউনিয়নের উত্তর ধর্মদা গ্রামের মৃত ইন্তাজ আলীর পুত্র আবু রেজার বাড়ি থেকে গরুগুলো উদ্ধার করে পুলিশ। বিশ্বনাথ থানার এসআই সবুজ কুমার নাইডু ও মিজানুর রহমান রহমানের নেতৃত্বে একদল পুলিশ গরুগুলো উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।
গত ২ দিন ধরে চুরি হওয়ার গরু সনাক্ত করতে বিশ্বনাথ থানা কমপাউন্ডে শুটে আসছেন জেলার বিভিন্ন উপজেলার লোকজন। যারা নিজের চুরি হওয়ার গরু সনাক্ত করতে পারছেন তারা আনন্দ চিত্তে পুলিশকে জানাচ্ছেন ধন্যবাদ, আর যারা সনাক্ত করতে পারছেন না তারা হতাস হয়ে আবারও ছুটে চলছেন নিজের চুরি হওয়া গরুর সন্ধান পাওয়ার আসায়।
চোরদের স্বীকারোক্তিতে আরোও ১১টি চোরাই গরু উদ্ধারের সত্যতা স্বীকার করেছেন বিশ্বনাথ থানার অফিসার ইন-চার্জ (ওসি) মোহাম্মদ শামসুদ্দোহা পিপিএম।
উল্লেখ্য, বুধবার রাতে স্থানীয় জনতা বিশ্বনাথ-দক্ষিণ সুরমা উপজেলার সীমান্তবর্তি বিশ্বনাথ-রশিদপুর সড়ক থেকে ৩টি চোরাই গরু ও গরু বহনকারী পিকআপ (ঢাকা মেট্টো-ন ১৫-০৮৫৫)’সহ ৩ গরু চোরকে আটক করে থানা পুলিশে সোপর্দ করেন। তারা হলেন- কুলাউড়া উপজেলার দানাপুর গ্রামের মৃত আবদুল মতিনের পুত্র আবু তাহের (৩৯), বিশ্বনাথ উপজেলার চাঁন্দশিরকাপন গ্রামের মৃত আবদুল্লাহর পুত্র সফজুল ইসলাম (৩৮), ভোগশাইল গ্রামের আবদুর নুরের পুত্র দুলাল আহমদ (৩৩)। ওই ৩ জনের স্বীকারোক্তিতে পুলিশ শুক্রবার দিবাগত ভোর রাতে বিশ্বনাথ উপজেলার উত্তর ধর্মদা গ্রামের মৃত ইন্তাজ আলীর পুত্র আবু রেজা (৩৫) ও সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার বাওরকাপন গ্রামের মৃত হেকিম মুন্সির পুত্র আবির মিয়া (৩৫)’কে ১১টি চোরাই গরু’সহ আটক করে। আর ওই ২ জনের স্বীকারোক্তিতে শনিবার রাতে আরোও ১১টি চোরাই গরু উদ্ধার করে পুলিশ।