আন্তর্জাতিক ডেস্ক: মাত্র ছয় আসন পেয়েই পাকিস্তানের রাজনীতিতে গরুত্বপূর্ণ ফেক্টর হয়ে উঠেছে মুত্তাহিদা কওমি মুভমেন্ট-পাকিস্তান (এমকিউএম-পি) দলটি। কেননা তাদের সমর্থন নিয়েই কেন্দ্রীয় সরকার গড়তে চলেছে ইমেরানের দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই)।
গত ২৫ জুলাইয়ের পার্লামেন্ট নির্বাচনে মাত্র ছয় আসন পেয়েছে এমকিউএম। এদের মধ্যে করাচিতে চারটি আর হায়দ্রাবাদে দুইটি। ২০১৩ সালের নির্বাচনে ২৪ আসন পেয়েছিল দলটি।
সরকার গঠনে এমকিউএমের সমর্থন আদায়ের জন্য সোমবার সন্ধ্যায় করাচিতে ছুটে যান ইমরানের দলের গুরুত্বপূর্ণ নেতা জাহাঙ্গীর তারিন। আজ মঙ্গলবার সকাল থেকেই ফের বৈঠকে বসছেন দু দলের নেতারা। ইতিমধ্যে করাচিতে দলটির অস্থায়ী কার্যালয়ে পৌঁছেছেন পিটিআই নেতা আরিফ আলভি, শামিম নাকভি ও ইমরান ইসমাইল।
একটি গোপন সূত্রের বরাত দিয়ে ডন জানায়, কেন্দ্রীয় সরকার গড়তে দলটির সমর্থন চাইছে ইমরান খান। বিনিময়ে এমকিউএম দলকে পার্লামেন্ট স্পিকার, ডেপুটি স্পিকার বা হাউজ লিডার হওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে পিটিআই।
তবে এর বিনিময়ে কেবল একটি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব নিতে রাজি নয় দলটি। তারা চাইছে আরো বেশি কিছু। এমনকি করাচি ও হায়দ্রাবাদে প্রাদেশিক সরকারেও হিস্যা চাইছে এমকিউএম।
এ সম্পর্কে পরে পিটিআই নেতা জাহাঙ্গীর তারিন ডনকে জানান, দেশের স্বার্থে সরকার গঠনে তারা এমকিউএম দলের সমর্থন চেয়েছে।তবে বিনিময়ে দলটিকে একটি মন্ত্রণালয় দেয়ার প্রস্তাব দেয়া হয়েছে বলে যে খবর বেরিয়েছে তা নাকচ করে দিয়েছেন এই পিটিআই নেতা। তিনি বলেন, তারা এখনও সরকার গঠনের নানা দিক নিয়ে আলোচনা করছেন।
এদিকে দলটিকে দলে টানতে চাইছে নওয়াজ শরিফের দল পাকিস্তান মুসলিম লীগও (পিএমএল-এন)। মঙ্গলবার সকালে এমকিউএম কার্যালয়ে ছুটে গিয়েছিলেন পিএমএল-এন দলের এক উর্ধ্বতন নেতা। তিনি তাদেরকে ইমরানের দলকে সমর্থন করার বদলে পার্লামেন্টে বিরোধী দলে থাকার প্রস্তাব দেন। তবে এতে রাজি হননি দলের নেতা ড. সিদ্দিকী। তারা ইমরানের দলকে সমর্থন দেয়ার সিদ্ধান্তে অটল রয়েছে।
সূত্র: ডন















