ওয়ানবাংলানিউজ: ৫ হাজার পাউন্ডের বেশি ফান্ড হলেই চ্যারিটি কমিশনে রেজিস্ট্রেশন করার পরামর্শ দিয়েছেন চ্যারিটি কমিশন এর চিফ এক্সিকিউটিভ, ডঃ হেলেন স্টিভেনসন। তিনি গত ১৬ ই জুলাই সোমবার ব্রিটিশ বাংলাদেশী ও মুসলিম চ্যারিটি সংগঠনের শীর্ষ নেতৃবৃন্দদের নিয়ে চ্যারেটি ল গর্ভনেন্স এন্ড কমপ্লাইন্স এর উপর একটি সেমিনারে এ কথা বলেন। সেমিনারে তিনি বলেন ফ্রড, দুর্নীতি, জঙ্গী অর্থায়নের প্রতি বেশী নজরদারি করা চ্যারিটি কমিশন এর মূল লক্ষ্য। তাছাড়া সম্প্রতিকালে চ্যারিটি সেক্টর এর উপরে সাধারন মানুষের আস্থা অনেক কমে যাচ্ছে এবং চ্যারিটি কমিশন মানুষের আস্থা ভাড়াতে কাজ করে যাচ্ছে।
টিভি ওয়ান এর প্রেজেন্টার ব্যারিস্টার খালেদ মুঈদ সার্বিক ব্যবস্থাপনায় অনুষ্ঠিত সেমিনারে আরো বক্তব্য রেখেছেন মুসলিম এইড, আল খায়ের ফাউন্ডেশন এবং ইসলামিক হেল্প চ্যারিটির প্রাক্তন চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার মিঃ সাইফ আহমেদ। তিনি গুরুত্ব আরোপ করেন আন্তর্জাতিক চ্যারিটি সংস্থাগুলোর উচিৎ ইউনাইটেড নেশনস এর সাসটেইনেবল ডেভোলাপমেন্ট গোলস কে সামনে রেখে কাজ করা।
ব্যারিস্টার খালেদ মুঈদ তাঁর প্রেজেন্টেশনে চ্যারিটি কমিশন বিভিন্ন সংস্থার উপর যে এনকোয়ারি করে থাকে সেটা তুলে ধরেছেন। উনি উলেøখ করেছেন যে চ্যারিটি কমিশন এর উদ্দেশ্য হচ্ছে বিভিন্ন সংস্থা যেন চ্যারিটি ল’ এর আওতায় আসে। চ্যারিটি সংস্থা বন্ধ করে দেয়া অথবা ট্রাষ্টিদের বিরুদ্ধে ব্যাবস্থা নেয়া চ্যারিটি কমিশন এর উদ্দেশ্য নয়।
ডঃ হেলেন স্টিভেনসন তাঁর বক্তব্যে চ্যারিটি কমিশনের ভূমিকা তুলে ধরেছেন। তিনি বলেছেন যে চ্যারিটি কমিশনের রেজিষ্টারে ১৬৮,০০০ চ্যারিটি সংস্থা আছে এবং সাত লক্ষ ট্রাষ্টি জড়িত আছে বিভিন্ন সংস্থায়। তিনি বলেছেন যে সম্প্রতিকালে চ্যারিটি সেক্টর এর উপরে সাধারন মানুষের আস্থা অনেক কমে গেছে এবং চ্যারিটি কমিশন কাজ করে যাচ্ছে যাতে করে মানুষের আস্থা অর্জন করতে পারে। তিনি আরো বলেছেন যে চ্যারিটি কমিশন রেগুলেশনের ক্ষেত্রে সে সকল সংস্থায় জটিল রিস্ক এর আশংকা রয়েছে যেমন ফ্রড, দূর্ণিতি, জংগী অর্থায়ন সে সকল সংস্থার প্রতি বেশী নজরদারি করেন কারন চ্যারিটি কমিশন এর মূল লক্ষ্য হচ্ছে চ্যারিটি সেক্টরের প্রতি মানুষের আস্থা সৃষ্টি করা।
উক্ত সেমিনারে কম্যুনিটির বিশিষ্ট ব্যাক্তিগন উপস্থিত ছিলেন যেমন মুসলিম কাউন্সিল অব বৃটেনের সেক্রেটারি জেনারেল হারুন খান, ইস্ট লন্ডন মসজিদ এর ডাইরেক্টর দেলোয়ার খান, ইমিগ্রেশন জাজ বেলায়েত হোসেন এবং গ্লোবাল ওয়ান চ্যারিটির চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার ডঃ হুসনা আহমেদ।
সেমিনারে বলা হয় চ্যারিটি সংগঠনগুলিতে যারা দান করছেন তাদেরও দায়িত্ব রয়েছে চ্যারিটি সম্পর্কে জানার। পাশাপাশি সংগঠনগুলিতে ডাটা প্রটেশন প্রটেকশন সম্পর্কে আরো সচেতন হওয়ার আহবান জানানো হয়। জাকির হোসেন কয়েছ টিভি ওয়ান নিউজ লন্ডন।















