জমজমাট এই ম্যাচে প্রথম মিনিট থেকেই ছিল উত্তেজনায় ঠাসা। প্রথমার্ধে দুই দলই চালিয়েছে আক্রমণ, পাল্টা আক্রমণ। ম্যাচের ১৫তম মিনিটেই এগিয়ে থাকার সুযোগ ছিল বেলজিয়ামের। তবে অফ টার্গেটে গোলবারের পাশ দিয়ে চলে যায় হ্যাজার্ডের শট। এরপর ১৮ তম মিনিটে ফ্রান্সও এগিয়ে থাকতে পারতো। তবে মাতুইদির শট আটকে দেন বেলজিয়ামের গোলরক্ষক কোর্তো।
ম্যাচের ২১তম মিনিটে গোলরক্ষক হুগো লরিসের দৃঢ়তায় আবারো বেঁচে যায় ফ্রান্স। প্রায় ১৪ গজ দূর থেকে শট নিয়েছিলেন টবি আল্ডারওইরেল্ড।
৩১তম মিনিটে ফ্রান্সের সামনে সুযোগ তৈরি হয়েছিল। কিন্তু ফরাসি ফরোয়ার্ড জিরুডের হেডে বল চলে যায় সাইডবারের সামান্য পাশ দিয়ে। ৩৯তম মিনিটে আবারও সুযোগ পায় ফ্রান্স। ডি-বক্সের মধ্যে থেকে গোলপোস্ট লক্ষ্য করে শট নেন প্যাভার্ড। কিন্তু বল গোলরক্ষক কোর্তোয়ার গায়ে লেগে চলে যায় গোললাইনের বাইরে। পুরো প্রথমার্ধ পাওয়ার ফুটবলের প্রদর্শনী দেখালেও প্রথমার্ধে গোলবঞ্চিতই থাকতে হয়েছে ফ্রান্স-বেলজিয়ামকে।
অবশেষে দ্বিতীয়ার্ধের ৫১ তম মিনিটে আন্তোনি গ্রিজম্যানের কর্নার থেকে দুর্দান্ত হেডে বেলজিয়ামের গোলরক্ষককে পরাস্ত করেন বার্সেলোনার তারকা স্যামুয়েল উমিতি।















