আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইরাকের মসুলে মার্কিন নেতৃত্বধীন জোটের বিমান হামলায় ১২০ বেসামরিক মারা গেছেন বলে দাবি করেছে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা। শুক্রবার প্রকাশিত এক সংবাদ প্রতিবেদনে তারা এমনটা জানায়। সূত্রের বরাতে প্রতিবেদনে বলা হয়, মার্কিন সমর্থিত ইরাকি বাহিনীর হামলায় মসুলে ১২০জন বেসামরিক মারা গেছেন। প্রবল লড়াইয়ের মধ্যে এখনও সেখানে আটকা পড়ে আছেন ২ লাখ বেসামরিক মানুষ।
এই অভিযোগের ব্যাপারে অবগত রয়েছে বলে জানিয়েছে মার্কিন জোট। অপারেশন ইনহেরেন্ট রিজলভ অফিস থেকে এক বিবৃতিতে এমনটা জানানো হয়। বিবৃতিতে তারা জানায়, ‘ইরাকি বাহিনী ও মার্কিন জোট বেসামরিকদের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা দেওয়ার চেষ্টা করছে। আইএস জঙ্গিরা স্নাইপারের মাধ্যমে পালাতে চাওয়া বেসামরিকদের লক্ষ্য করছে। তাদের কাছ থেকেই শহর পুনরুদ্ধারের চেষ্টা চালানো হচ্ছে। বেসামরিক হত্যার অভিযোগ গুরুত্ব সহকারে নেওয়া হয়েছে এবং এগুলো তদন্ত করে দেখা হবে।’
নিয়মিত মাসিক প্রতিবেদনে বেসামরকিদের নিহতের কথা জানানো হবে বলেও বিবৃতিতে বলা হয়।
মসুলে আটমাস ধরে যুদ্ধ চলছে। আইএস সদস্যরা বেসামরিকদের মানবঢাল হিসেবে ব্যবহার করায় এই যুদ্ধ কঠিন হয়ে গিয়েছে বলে মনে করে ইরাকি বাহিনী। এই যুদ্ধে প্রতিনিয়তই প্রাণ হারাচ্ছেন বেসামরিকরা। মসুল থেকে পালিয়ে আসা এক ইরাকি আল–জাজিরাকে বলেন, ‘আমরা সবসময়ই বিমানহামলার আতঙ্কে থাকতাম। মর্টার হামলাতে আমাদের বাড়ি ধ্বংস হয়ে গেছে।
এদিকে ইরাকের মসুলের গ্র্যান্ড নুরি মসজিদের চারপাশের রাস্তা বন্ধ করে দিয়েছে আইএস। স্থানীয়রা জানান, মসুলে দখল ধরে রাখতে চূড়ান্ত লড়াইয়ের প্রস্তুতি নিচ্ছে তারা।
ইরাকি সেনাবাহিনীর ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মাধি আব্বাস বলের, ‘আমরা জিনজিল এলাকায় আইএসকে প্রতিহত করার চেষ্টা করছি। আমরা তাদের অনেক গাড়িবোমা ও বাড়ি ধ্বংস করেছি। এছাড়া অনেক বেসামরিককে পালিয়ে যেতে সাহায্য করেছি আমরা।’
আল-জাজিরার ওসামা বিন জাভাইদ জানান, বেসামরিকদের রক্ষা করার বিষয়টি বলা অনেক সহজ। ত্রাণ কর্মীরা বরাবরই যুক্তরাষ্ট্র ও ইরাককে এ বিষযে চাপ দিয়ে আসছে।















