সাইফ হাসান: স্কুলের নির্ধারিত পোশাক পরে অন্য একটি বিদ্যালয়ে ঢুকে শিক্ষার্থীদের ওপর ধারালো অস্ত্র দিয়ে হা*মলা চালিয়েছে এক কিশোরী। এই নৃশংস ঘটনায় দশ বছর বয়সী এক ছাত্রী মা*রা গেছে এবং আহত হয়েছে আরও আট শিক্ষার্থী। তুরস্কের ইস্তাম্বুলে ঘটা এই ভয়াবহ হত্যাকাণ্ডে পুরো এলাকায় শোক ও ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। হা*মলাকারী কিশোরীসহ তার মা-বাবাকেও হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ।
ঘটনাটি ঘটে তুরস্কের ইস্তাম্বুলের বাশাকশেহির এলাকার শেখ শামিল ইমাম হাতিপ সেকেন্ডারি স্কুলে। স্থানীয় সময় সকাল পৌনে নয়টার দিকে কুচুকচেকমেচের একটি হাইস্কুলের পনেরো বছর বয়সী এক শিক্ষার্থী ওই স্কুলের পোশাক পরে ভেতরে ঢোকে। এরপর সে ধারালো ছুরি নিয়ে অতর্কিতে আক্রমণ চালিয়ে ১০ থেকে ১৩ বছর বয়সী আটজন শিক্ষার্থীকে আহত করে এবং দশ বছর বয়সী এসলেম সারে বুলুতকে গুরুতর জখম করে।
রক্তাক্ত অবস্থায় এসলেমকে বাশাকশেহির চাম অ্যান্ড সাকুরা সিটি হাসপাতালে নেওয়া হলেও চিকিৎসকদের সব চেষ্টা ব্যর্থ করে সে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে। ময়নাতদন্ত শেষে এসলেমের মরদেহ তার গ্রামের বাড়ি উত্তর তুরস্কের বারতিনের কোনুক্লু গ্রামে নেওয়া হয় এবং ৭ অক্টোবর সেখানে জানাজা শেষে তাকে দাফন করা হয়। জানাজায় উপস্থিত শোকাহত পরিবারকে সান্ত্বনা দিতে উপস্থিত ছিলেন সরকারি উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা।
ইস্তাম্বুলের গভর্নর দাভুত গুল জানিয়েছেন, আক্রমণকারী কিশোরী অন্য বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী হলেও কৌশলে পোশাক পরে স্কুলে প্রবেশ করেছিল। ঘটনার পরপরই স্কুলের নিরাপত্তা কর্মীরা তাকে ধরে পুলিশের হাতে তুলে দেয়। এরপর আদালতের নির্দেশে ওই কিশোরীর পাশাপাশি তার বাবা ও মাকেও রিমান্ডে পাঠানো হয়েছে। পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখতে শিক্ষা ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে বিশেষ তদন্ত দল গঠন করা হয়েছে।
#তুরস্কসংবাদ #স্কুলহামলা #আন্তর্জাতিকসংবাদ #aknews #onebanglanews















