প্রয়াত ইরানি সর্বোচ্চ নেতা আলী খামেনির দ্বিতীয় ছেলে মোজতবা খামেনিকে তার উত্তরসূরি হিসেবে নির্বাচিত করা হয়েছে।
এই সিদ্ধান্তে যুদ্ধ আরও তীব্র হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে, কারণ ডোনাল্ড ট্রাম্প ইতোমধ্যেই মোজতাবা খামেনিকে অগ্রহণযোগ্য পছন্দ বলে মন্তব্য করেছেন।
ইরানের সর্বোচ্চ কর্তৃপক্ষ নির্বাচন করার দায়িত্বে থাকা ধর্মীয় পরিষদের সদস্যরা রোববার এই সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেন এবং দেশবাসীকে তার নেতৃত্বের পেছনে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান।
রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে প্রচারিত এক বিবৃতিতে বলা হয়, একটি “নির্ণায়ক ভোটের” মাধ্যমে তাকে নির্বাচিত করা হয়েছে। পরিষদটি দেশজুড়ে নাগরিকদের বিশেষ করে মাদ্রাসা ও বিশ্ববিদ্যালয়ের অভিজাত ও বুদ্ধিজীবীদের নতুন নেতৃত্বের প্রতি আনুগত্য প্রকাশ ও জাতীয় ঐক্য রক্ষার আহ্বান জানায়।
ইরানের অনেক নেতার মতো তিনি কখনো নির্বাচনে অংশ নেননি বা গুরুত্বপূর্ণ সরকারি পদ নেননি। বরং ধীরে ধীরে তার বাবার দপ্তরের ভেতরে প্রভাবশালী একটি গোষ্ঠীর অংশ হয়ে ওঠেন, যারা সর্বোচ্চ নেতার কাছে রাজনৈতিক প্রবেশাধিকার নিয়ন্ত্রণ করত।
সময়ের সঙ্গে তিনি রক্ষণশীল ধর্মীয় নেতাদের এবং আইআরজিসির কিছু অংশের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তোলেন যা বিশ্লেষকদের মতে তার অবস্থান আরও শক্তিশালী করেছে।















