সাইফ হাসান: উইম্বলডন টেনিস ক্লাবের বিশাল সম্প্রসারণ পরিকল্পনা নিয়ে দেখা দিয়েছে বড় ধরণের আইনি জটিলতা। প্রায় ১৫০ বছরের পুরনো এক আইনের কারণে আটকে যেতে পারে তাদের নতুন স্টেডিয়াম ও কোর্ট তৈরির কাজ। আন্দোলনকারীরা দাবি করছেন ওই জমিটি জনসাধারণের ব্যবহারের জন্য উন্মুক্ত রাখা আইনত বাধ্যতামূলক। বিষয়টি সুরাহা করতে বর্তমানে হাইকোর্টে চলছে জোর আইনি লড়াই।
অল ইংল্যান্ড ক্লাব তাদের সীমানা বর্তমানের চেয়ে প্রায় তিনগুণ বাড়াতে চাইছে। সাবেক উইম্বলডন পার্ক গলফ ক্লাবের জায়গায় তারা ৩৮টি নতুন টেনিস কোর্ট ও ৮,০০০ আসনের একটি স্টেডিয়াম তৈরির পরিকল্পনা করেছে। এই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন হলে উইম্বলডনের বাছাইপর্বের ম্যাচগুলো মূল ভেন্যুতেই আয়োজন করা সম্ভব হবে।
তবে ‘সেভ উইম্বলডন পার্ক’ নামের একটি সংগঠন এই পরিকল্পনার তীব্র বিরোধিতা করছে। তাদের দাবি, ১৮৭৫ সালের জনস্বাস্থ্য আইন অনুযায়ী এই জমিটি জনসাধারণের হাঁটাচলা ও বিনোদনের জন্য নির্ধারিত ‘স্ট্যাটিউটরি ট্রাস্ট’-এর আওতাভুক্ত। আদালতে তারা যুক্তি দিয়েছে যে, মালিকানা বদল হলেও এই জমির ওপর জনগণের অধিকার এবং উন্মুক্ত থাকার শর্ত বজায় থাকে।
অল ইংল্যান্ড ক্লাবের আইনজীবী জোনাথন কারাস অবশ্য এসব দাবি পুরোপুরি অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, এই জায়গাটি সবসময় ব্যক্তিগত গলফ ক্লাব হিসেবেই ব্যবহৃত হয়েছে এবং কখনোই পাবলিক পার্ক ছিল না। ১৯৯৩ সালে যখন তারা প্রায় ৫ মিলিয়ন পাউন্ড দিয়ে এই জমির মালিকানা কেনেন, তখনো এর ওপর কোনো আইনি বা পাবলিক ট্রাস্টের বাধা ছিল না।
২০২৪ সালে গ্রেটার লন্ডন অথরিটি এই সম্প্রসারণ প্রকল্পের অনুমোদন দিলেও আন্দোলনকারীরা এর বিরুদ্ধে অনড় অবস্থানে রয়েছেন। এটি তাদের দ্বিতীয় আইনি চ্যালেঞ্জ এবং আগামী ২৩ জানুয়ারি এই শুনানির সমাপ্তি হওয়ার কথা রয়েছে। হাইকোর্টের চূড়ান্ত রায়ের ওপরই এখন নির্ভর করছে উইম্বলডনের এই ঐতিহাসিক সম্প্রসারণ প্রকল্পের ভবিষ্যৎ।
#Wimbledon #LondonNews #TennisUpdate #UKCourt #aknews #onebanglanews















