আব্দুল বাছিত রফি: লন্ডনের রাস্তায় নেমেছে হাজারো মানুষ। ডানপন্থী কর্মী টমি রবিনসনের আয়োজিত ‘ইউনাইট দ্য কিংডম’ সমাবেশে জড়ো হয়েছে বিপুল ভিড়। পাল্টা হিসেবে স্ট্যান্ড আপ টু রেসিজম আয়োজন করেছে ‘মার্চ এগেইনস্ট ফ্যাসিজম’। দুই পক্ষের সমাবেশ ঘিরে মোতায়েন করা হয়েছে প্রায় এক হাজার পুলিশ। শহরের কেন্দ্রে বিভিন্ন জায়গায় কড়া নিরাপত্তা বলয় তৈরি করা হয়েছে।
শনিবার দুপুর নাগাদ ওয়াটারলু ব্রিজ ও আশপাশের এলাকায় দেখা যায় ইউনিয়ন জ্যাক, সেন্ট জর্জ ক্রস, স্কটিশ সলটায়ার ও ওয়েলশ পতাকায় ছাওয়া জনসমুদ্র। অংশগ্রহণকারীদের হাতে নানা স্লোগান লেখা প্ল্যাকার্ড—যেমন “স্টপ দ্য বোটস”, “সেন্ড দেম হোম” ও “ইউনাইট দ্য কিংডম।” এমনকি কিছু অ্যান্টি-ট্রান্সজেন্ডার কর্মীও শোভাযাত্রায় যোগ দেন।
হোয়াইটহলে মঞ্চ তৈরি করে রাখা হয়েছে বক্তৃতার জন্য। সেখানে যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কৌশলবিদ স্টিভ ব্যাননের। অন্যদিকে রাসেল স্কয়ার এলাকায় ‘মার্চ এগেইনস্ট ফ্যাসিজম’-এর কর্মীরা একত্রিত হয়েছেন। তারা হাতে রেখেছেন প্ল্যাকার্ড—“উইমেন এগেইনস্ট দ্য ফার রাইট”, “অপোজ টমি রবিনসন” এবং “রিফিউজি ওয়েলকাম।” এমপি ডায়ান অ্যাবট ও জারা সুলতানার বক্তব্য দেওয়ার কথা রয়েছে।
মেট্রোপলিটন পুলিশ জানায়, দুই পক্ষকে আলাদা রাখতে ব্যারিকেড বসানো হয়েছে এবং বাইরে থেকে ৫০০ অতিরিক্ত পুলিশ আনা হয়েছে। তবে এদিন লাইভ ফেসিয়াল রিকগনিশন প্রযুক্তি ব্যবহার না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে পুলিশ। মুসলিম সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ থাকায় কর্মকর্তারা সবাইকে আশ্বস্ত করেছেন যে বৈষম্যমূলক আচরণ হলে সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পুলিশ জানিয়েছে, রবিনসনের সমাবেশ সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে এবং পাল্টা বিক্ষোভ বিকেল ৪টার মধ্যে শেষ করতে হবে। এভাবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে চাইছে লন্ডন পুলিশ, যদিও শহরজুড়ে দিনটি কাটছে উত্তেজনাপূর্ণ পরিবেশে।















