শরণার্থীদের হোটেল থেকে সেনা ব্যারাকে সরানোর পরিকল্পনা, কড়া অভিবাসন নীতিতে এগোচ্ছে লেবার সরকার

147

সাইফ হাসান: ব্রিটেনের নতুন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শাবানা মাহমুদ আশ্রয়প্রার্থীদের হোটেল থেকে সরিয়ে সামরিক ব্যারাকে রাখার পরিকল্পনা করছেন। সাম্প্রতিক মাসগুলোতে অভিবাসী হোটেলের বাইরে বিক্ষোভ বাড়ায় এ পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। শুধু শনিবারই ছোট নৌকায় প্রায় এক হাজার মানুষ ব্রিটেনে পৌঁছেছেন। ফলে হোটেল বন্ধ করে সেনা স্থাপনাকে বিকল্প হিসেবে বিবেচনা করছে সরকার। জার্মানির সঙ্গেও ফেরত পাঠানোর চুক্তি হতে পারে বলে আলোচনা চলছে।

লেবার সরকার জানিয়েছে, সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ ও আশ্রয় নীতিকে কঠোর করার পরিকল্পনা চলছে। ইতিমধ্যে ফ্রান্সের সঙ্গে ফেরত পাঠানোর চুক্তি হয়েছে, আর জার্মানির সঙ্গে আলোচনাও চূড়ান্ত পর্যায়ে। সরকারী এক সূত্র জানিয়েছে, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মাহমুদের হাতে এখন সব ধরনের বিকল্প উন্মুক্ত রাখা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার সম্প্রতি মন্ত্রিসভায় বড় reshuffle করেছেন, যেখানে হোম অফিসেও নেতৃত্ব পরিবর্তন হয়। আগের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ইয়ভেট কুপারকে সরিয়ে যুক্তরাজ্যের শীর্ষ কূটনীতিক হিসেবে নতুন দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর প্রধান সচিব ড্যারেন জোন্স বলেন, এ পরিবর্তন অস্থিতিশীলতা নয়, বরং নতুন শক্তিশালী দল গঠন করা হয়েছে।

জোন্স দাবি করেন, সরকারের কার্যক্রম থেমে থাকবে না এবং স্টারমারের ঘোষিত “দ্বিতীয় ধাপের শাসন” পরিকল্পনা এগিয়ে যাবে। তিনি আরও জানান, আগাম নির্বাচনের কোনো সম্ভাবনা নেই।

রাজনীতিবিদদের মতে, শরণার্থী সংকট সামাল দেওয়াই এখন শাবানা মাহমুদের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। ইউরোপীয় মানবাধিকার কনভেনশনের কিছু ধারা স্থানীয় আইনে পরিবর্তনের বিষয়েও তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন।