স্টারমারকে নীরবতা ভাঙতে হবে, অভিবাসনের গুরুত্বে সরকারের স্পষ্ট বক্তব্য দাবি

135

সাইফ হাসান: ব্রিটেনে অভিবাসীদের অবদান নিয়ে প্রধানমন্ত্রী কেয়ার স্টারমারের নীরবতাকে কঠোর সমালোচনা করেছেন বিশেষজ্ঞরা। অস্ট্রেলিয়ার সিডনি বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক জেক লিঞ্চ বলেছেন, অভিবাসন নিয়ে ইতিবাচক দিকগুলো তুলে ধরা হলে গণমাধ্যম বাধ্য হয়ে তা প্রচার করবে। তিনি মনে করেন, সরকারের এড়িয়ে যাওয়ার নীতি উল্টো ক্ষতিকর প্রভাব ফেলছে। ডানপন্থী রাজনীতিকরা এ সুযোগ কাজে লাগিয়ে জনমতকে ভুল পথে নিচ্ছেন।

জেক লিঞ্চের মতে, স্টারমার যদি ব্রিটেনের অর্থনীতি ও সমাজে অভিবাসীদের গুরুত্ব নিয়ে কথা বলতেন, তাহলে ভিন্ন চিত্র সামনে আসত। তিনি উল্লেখ করেন, জার্মানি ও ফ্রান্সের তুলনায় যুক্তরাজ্যে আশ্রয়প্রার্থীর সংখ্যা কম হলেও সরকার তা স্পষ্ট করে না।

লিঞ্চ বলেন, স্থানীয় সম্প্রদায়গুলো নতুন আগতদের স্বাগত জানিয়ে সফলভাবে একীভূত করেছে—এই ইতিবাচক দৃষ্টান্তগুলোও প্রচার করা উচিত। তাতে অভিবাসীদের সাফল্যের গল্প ছড়িয়ে পড়বে এবং জনমনে ভয় বা নেতিবাচক ধারণা কমবে।

কিন্তু স্টারমারের নীরব অবস্থান চরম ডানপন্থী রাজনীতিক নাইজেল ফারাজ ও তার অনুসারীদের জন্য সুযোগ তৈরি করছে। তারা “ব্রিটিশ পরিচয়” নিয়ে বিভ্রান্তিকর ধারণা ছড়িয়ে দিচ্ছে। জেক লিঞ্চের মতে, এভাবে চুপ থাকা এখন আর কার্যকর নয়, বরং রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিবেশকে আরও জটিল করে তুলছে।