আশ্রয় হোটেল বন্ধে দ্রুত পদক্ষেপ না নিলে রিফর্মের জনপ্রিয়তা বাড়বে: সাবেক মন্ত্রী

69

সাইফ হাসান:লেবার সরকারকে আশ্রয় হোটেল দ্রুত বন্ধ করতে হবে, নইলে রিফর্ম ইউকে জনমত জরিপে এগিয়ে যাবে।শুক্রবার এপিং-এর বেল হোটেল নিয়ে সরকার আপিল কোর্টে জয় পেয়েছে।তবে, অন্য কাউন্সিল মামলা চালিয়ে যেতে পারে।হোটেল বন্ধে কঠোর পদক্ষেপ চান স্থানীয়রা।

সাবেক বিচার সচিব চার্লি ফ্যালকনার বলেন, এপিং মামলায় সরকারের আপিল সঠিক ছিল। তিনি বলেন, হোটেল বন্ধ ও অবৈধ অভিবাসন বন্ধে আরও কাজ করতে হবে। না হলে, রিফর্ম ইউকে’র জনপ্রিয়তা বাড়বে, কারণ তাদের বাস্তবসম্মত হওয়ার দায় নেই।

শুক্রবারের রায়ে এপিং-এর বেল হোটেলে ১৩০ আশ্রয়প্রার্থী থাকতে পারবেন। হোম অফিস মন্ত্রী অ্যাঞ্জেলা ইগল বলেন, এই সংসদের মেয়াদ শেষে সব হোটেল বন্ধ হবে। তিনি বলেন, এ রায় হোটেল বন্ধে নিয়ন্ত্রিত পদক্ষেপে সহায়তা করবে।

রিফিউজি কাউন্সিলের প্রধান এনভার সলোমন বলেন, হোটেলে আশ্রয়প্রার্থী রাখা অটেকসই। তিনি বলেন, ২০২৯ পর্যন্ত অপেক্ষা না করে পরের বছরই হোটেল বন্ধ করতে হবে। তিনি একটি এককালীন পরিকল্পনার প্রস্তাব দেন, যা শরণার্থী হিসেবে স্বীকৃতদের অস্থায়ী থাকার অনুমতি দেবে।

নাইজেল ফারাজ রায়ের সমালোচনা করে বলেন, সরকার ইসিএইচআর ব্যবহার করে এপিং-এর জনগণের বিরুদ্ধে গেছে। তিনি বলেন, অবৈধ অভিবাসীদের ব্রিটিশদের চেয়ে বেশি অধিকার দেওয়া হচ্ছে। ফ্যালকনার বলেন, ইসিএইচআর থেকে বের হলে মানুষকে বিপদে ফেরত পাঠানো হবে, তবে তৃতীয় দেশে পাঠানো যেতে পারে।