ব্রাহ্মণবাড়িয়া সংবাদদাতা: ২০২৪ এর গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম শহীদ মীর মাহফুজুর রহমান মুগ্ধের স্মরণসভা ও দোয়ার মাহফিল অনুষ্ঠানে বাধা প্রদান করে হয়েছে। সেই সাথে সভায অতিথিদের বক্তব্য প্রদানে বিঘ্ন ঘটানো হয়।
বাবুল খন্দকারের নেতৃত্বে একদল সন্ত্রাসী গত ২৯ আগস্ট শুক্রবার শহীদ মীর মুগ্ধের জন্মস্থান ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদরের বিয়াল্লিশ্বর ও বিজেশ্বর এলাকাবাসী আয়োজিত স্মরণ সভা ও দোয়ার মাহফিলে বাধা প্রদান করে। সেই সাথে অনুষ্ঠান আয়োজনকারীদের সরাসরি হুমকি প্রদান করা হয়।
বাধা প্রদানকারীদের নেতা বাবুল খন্দকার (৫০) ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার ১০ নং রামরাইল ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্বরত আছেন।

অনুষ্টানটিতে বাধা দিয়ে পন্ড করার পর সভার প্রধান অতিথি শহীদ মীর মুগ্ধের পিতা মীর মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল বাদী হয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগে রামরাইল ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক বাবুল খন্দকারকে প্রধান আসামী করা হয়।
ইজহারে বলা হয়, আমি বাদী জুলাই আন্দোলনের নিহত শহীদ মীর মুগ্ধের পিতা মীর মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল। ২৯ আগস্ট শুক্রবার বাদ মাগরিব আমাকে প্রধান অতিথি করে আমার নিজ ওয়ার্ডে আমার সন্তান শহীদ মীর মুগ্ধসহ সকল শহীদদের স্মরণে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সদর মডেল থানাধীন রামরাইল ইউনিয়নের বিজেশ্বর মুন্সিবাড়ি মোড়ে একটি দোয়া ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। উক্ত আলোচনা সভা চলাকালে বিবাদী বাবুল খন্দকার (৫০), পিতা-মৃত মুজালক খন্দকার আক্রমণাত্মক মনোভাব নিয়ে বাধা প্রদান করে, গালিগালাজ ও হুমকি প্রদান করে সভাটি বন্ধ করে দেয়। সেই সাথে ভবিষ্যতে রামরাইল ইউনিয়নের যে কোন স্থানে বাবুল খন্দকারের অনুমতি ব্যতীত কোন ধরনের সভা সমাবেশ করা যাবে না বলে শাসিয়ে যায়। তার অনুমতি ব্যতীত কোন প্রকার সভা সমাবেশ করলে তা নৃশংসভাবে প্রতীয়ত করা হবে ও রক্তের বন্যা বইয়ে দেয়ার হুমকি প্রধান করে। উল্লেখিত অভিযোগের বিষয়ে এলাকাবাসী সাক্ষী হিসেবে অবগত আছে বলে জানানো হয়।
অবিলম্বে বাধাপ্রদানকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন জানান শহীদ মীর মুগ্ধের পিতা।















