ওয়ানবাংলানিউজ: ব্রিটেনের হাই স্ট্রিটে যেসব চেইন হোটেল রয়েছে, সেগুলোতে শত শত শিশুকে যৌন নির্যাতনের রিপোর্ট পেয়েছে পুলিস। বিবিসি নিউজের সাথে একান্তভাবে শেয়ার করা তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালে হোটেলে সংঘটিত ৫০৪টি অপরাধের মধ্যে ৪৬৪টির ক্ষেত্রে শিশুর সাথে শারীরিক যোগাযোগের ঘটনা ঘটেছে, যার মধ্যে ২০৩টিকে ধর্ষণের ঘটনা হিসেবে রেকর্ড করা হয়েছে।
ন্যাশনাল পুলিশ চিফস কাউন্সিল এর তথ্য অনুযায়ী, কম দামের চেইন হোটেলগুলোতেই সবচেয়ে বেশি অপরাধ রেকর্ড করা হয়েছে।
২০২৩ সালে ইংল্যান্ড এবং ওয়েলসে শিশুদের বিরুদ্ধে রেকর্ড করা মোট যৌন অপরাধের মধ্যে হোটেলে সংঘটিত অপরাধের হার ১%-এরও কম। তবে পুলিশ বলছে, এই অপরাধগুলো কম রিপোর্ট করা হয় এবং প্রকৃত সংখ্যা আরও বেশি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
ন্যাশনাল পুলিশ চিফস কাউন্সিল বলছে, পুলিশ বাহিনী “শিশু যৌন নিপীড়ন সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানোর জন্য হোটেলগুলোর সাথে কাজ করছে”।
অপারেশন মেকসেফ নামে একটি উদ্যোগের অধীনে, হোটেল কর্মীদের যৌন নিপীড়নের লক্ষণগুলো চিহ্নিত করতে এবং পুলিশকে কীভাবে রিপোর্ট করতে হয় তা শেখানো হয়েছে।
একজন নারী ভিকটিম, যাকে তার নির্যাতক হোটেলে নিয়ে যেতো, তিনি বিবিসিকে বলেছেন, দরজায় ‘ডোন্ট ডিসটার্ব’ সাইন লাগিয়ে রেখে যৌন অপরাধীরা যা খুশি করতে পারে, কেউই জানতে পারবে না কী ঘটছে।
ন্যাশনাল পুলিশ চিফস কাউন্সিল বলছে, পুলিশের রেকর্ড করা হোটেলগুলোর বেশিরভাগই বড় শহর এবং টাউনে অবস্থিত, যেখানে ট্রেন স্টেশন এবং মোটরওয়ের মতো পরিবহন লিঙ্ক রয়েছে, যা অপরাধীদের জন্য শিকারদের সাথে দেখা করা সহজ করে তোলে।
পুলিশ প্রধানরা বলছেন, অনেক কম দামের হোটেলের রিসেপশন ডেস্কে মানুষ রাখার পরিবর্তে সেলফ-সার্ভিস কিয়স্ক রয়েছে, যা অপরাধীদেরকে কোনো প্রশ্ন ছাড়াই শিশুদের সাথে নিয়ে চেক-ইন করতে দেয়।
যেসব লক্ষণ দেখে অপরাধী চিহ্নিত করা যায়, তাঁর মধ্যে রয়েছে
• অপরাধীরা নগদ অর্থ পরিশোধ করে হোটেলে রুম নিতে চায়।
• কোনো পরিচয়পত্র দেখাতে অনিচ্ছুক হয়
• নিরিবিলি স্থানে রুম চায়
• ডাবল রুম চায়
ভিকটিম শিশুদের মধ্যে যেসব লক্ষণ থাকে তাঁর মধ্যে রয়েছে
• শিশুকে দেখতে মন খারাপ এবং nervous মনে হবে
• প্রাপ্তবয়স্কের দিকে তাকিয়ে থেকে তার কথাই মেনে চলে ভিকটিম শিশু
• কথোপকথনে জড়িত হতে চায়না
• কোনো পরিচয়পত্র দেখাতে চায়না।
•
• সূত্র: অপারেশন মেকসেফ















