ঢাকা সংবাদদাতা: গণতন্ত্র ধ্বংসকারী অপশক্তিগুলোর চক্রান্ত ও ষড়যন্ত্র নস্যাতের করতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপি চেয়াপারসন খালেদা জিয়া। তিনি বলেন, একনায়কতান্ত্রিক দু:শাসনের শৃঙ্খল থেকে গণতন্ত্রকে উদ্ধার করতে গিয়েই শহীদ হয়েছিলেন ডাঃ শামসুল আলম খান মিলন। ফলে গণতন্ত্রের জন্য তাঁর এই সর্বোচ্চ আত্মদান এদেশের ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে। তিনি সকল কতৃত্ববাদী, স্বৈরাচারী গণতন্ত্র বিরোধী শক্তির বিরুদ্ধে আমাদের অবিরাম প্রেরণার উৎস।
রবিবার শহীদ ডাঃ শামসুল আলম খান মিলনের ২৫তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বাণীতে খালেদা জিয়া এসব কথা বলেন। “আমাদের গণতন্ত্র আবারও গভীর খাদের কিনারে গিয়ে পড়েছে। ৫ জানুয়ারির ভোটারবিহীন নির্বাচনের মধ্য দিয়ে আবারও গণতন্ত্রকে হত্যা করে একদলীয় দু:শাসনের করাল গ্রাসে গিলে ফেলা হয়েছে বহুদলীয় গণতন্ত্রের পথচলা।”
মানুষের জীবন এখন দুর্বিষহ মন্তব্য করে তিনি বলেন, গণতন্ত্রের শত্রুরা গণতন্ত্রের সকল প্রতিষ্ঠানকে ধ্বংস করে ফেলেছে। মানুষের নাগরিক স্বাধীনতা অপহরণ করা হয়েছে। মানুষের কথা বলা ও ভোটের অধিকার হরণ করে অতীতের বাকশাল এখন নবসংস্করণে ভয়াল রুপ ধারণ করেছে। তাই গণতন্ত্রকে মজবুত ভীতের ওপর দাঁড় করাতে হবে। আর তাহলেই ডাঃ মিলনের আত্মত্যাগ সার্থক হবে।
বিএনপি প্রধান বলেন, শহীদ ডাঃ শামসুল আলম খান মিলন সামরিক শাসন বিরোধী গণতান্ত্রিক আন্দোলনের ইতিহাসে একটি অবিস্মরণীয় নাম। স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন চলাকালে ১৯৯০ সালের ২৭ নভেম্বর তৎকালীন স্বৈরাচারী সরকারের লেলিয়ে দেয়া পেটোয়া বাহিনীর গুলিতে শহীদ হন তিনি। তাঁর শাহাদৎ বার্ষিকীতে আমি তাঁর রুহের মাগফিরাত কামনা করি।















