গাজায় যুদ্ধবিরতি চান কিয়ার স্টারমার

184

ওয়ানবাংলানিউজ: ১৫ বছর এমন একটা বার্ষিক সম্মেলনের অপেক্ষায় ছিল লেইবার পার্টির সদস্যরা। এই দেড় দশকে পরাজয়ের পর পরাজয় বরন করে অবশেষে বিজয় অর্জন করে দেশের ক্ষমতায় লেইবার পার্টি। তাই তো দলের নেতা কিয়ার স্টারমার সম্মেলনে বক্তব্য দিতে মঞ্চে এলে এতোটা উল্লাস দেখা যায় দলের নেতাকর্মীদের মধ্যে।

দেশ শাসন করা যে কোন রাজনৈতিক দলের জন্য কঠিন একটি কাজ। আবার এই কাজের দায়িত্ব নিজের কাঁধে নিয়ে আসাও সহজ কাজ নয়। এমন অনেক দল আছে, যারা কখনও দেশ শাসন করার সুযোগ পায়না। তাই দেশ শাসন করার কাজ কঠিন হলেও কাজের দায়িত্ব পাওয়াকে উদযাপন করাই যায়।

এরপর প্রধানমন্ত্রী দেশের জনগণের জীবন এখন কেমন যাচ্ছে, সে সম্পর্কে কথা বলেন।

এরপর প্রধানমন্ত্রী গ্রীষ্ম মৌসুমে দেশের বিভিন্ন স্থানে দাঙ্গা ছড়িয়ে পড়ার প্রসঙ্গ উল্লেখ করে বলেন, মাইগ্রেশন নিয়ে দেশের জনগণের মধ্যে যৌক্তিক উদ্বেগ আছে। কিয়ার স্টারমার বলেন, মাইগ্রেশন নিয়ন্ত্রণ করতে তাঁর সরকার সংকল্পবদ্ধ।

কয়েক মিলিয়ন পেনশনারের উইন্টার ফিউল পেমেন্ট বাতিল করা প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তিনি জানেন সরকারের এই সিদ্ধান্ত তাঁর জনপ্রিয়তা বাড়ায়নি।

গত কয়েক দিনে মধ্যপ্রাচ্যের অবনতিশীল অস্থির পরিস্থিতি সম্পর্কে মন্তব্য করতে গিয়ে কিয়ার স্টারমার যুদ্ধবিরতির আহবান জানান।

এরপর গাজায় যুদ্ধবিরতির আহবান জানান প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে নতুন কোনো নীতির ঘোষণা ছিল না। তবে বয়োজ্যাস্থ অবসরপ্রাপ্ত সামরিক বাহিনীর সদস্যদের জন্য বাসস্থানের নিশ্চয়তার ঘোষণাটি ছিল নতুন।

এরপর হঠাৎ একজন প্রতিবাদী উঠে দাঁড়ান দর্শক সারিতে।

এরপর বক্তৃতায় উপসঙ্ঘার টানেন প্রধানমন্ত্রী।