জিম্বাবুয়েতে দ্বিতীয় মেয়াদে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত ইমারসন মনাঙ্গাগওয়া

77

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: দ্বিতীয় মেয়াদে জিম্বাবুয়ের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছেন ইমারসন মনাঙ্গাগওয়া। নির্বাচন কমিশন বলেছে, তিনি শতকরা ৫২.৬ ভাগ ভোট পেয়েছেন। তবে বিরোধী দল বলছে, ভোটে ব্যাপকমাত্রায় জালিয়াতি হয়েছে। আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা বলেছেন, গণতান্ত্রিক মানদণ্ডের ঘাটতি ছিল ভোটে। এ খবর দিয়েছে অনলাইন বিবিসি।

২০১৭ সালে সামরিক অভ্যুত্থানে বর্ষীয়ান প্রেসিডেন্ট রবার্ট মুগাবেকে ক্ষমতাচ্যুত করেন ইমারসন মনাঙ্গাগওয়া। তারপর তিনি হলেন জিম্বাবুয়েরে দ্বিতীয় প্রেসিডেন্ট। দেশটি এখনও উচ্চ মূদ্রাস্ফীতি, দারিদ্র্য ও জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে আতঙ্কিত। প্রথম দফায় যখন প্রেসিডেন্ট হন ইমারসন মনাঙ্গাগওয়া, তখন তিনি দেশের জনগণকে নবসূচনার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। তিনি নীতিতে কঠোর। এ জন্য তিনি ‘দ্য ক্রোকোডাইল’ নামেও পরিচিত।

গত মাসে বিশ্বে সবচেয়ে বেশি মুদ্রাস্ফীতি ছিল যেসব দেশে, তার মধ্যে জিম্বাবুয়ে অন্যতম।

আগের বছরের চেয়ে জুলাই মাসে সেখানে মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধি পায় শতকরা ১০১.৩ ভাগ। দেশটিতে বেকারত্বের সংখ্যাও উদ্বেগজনক। শতকরা মাত্র ২৫ ভাগ মানুষ আনুষ্ঠানিক কাজে নিযুক্ত। প্রেসিডেন্ট মানবাধিকার রক্ষার নিশ্চয়তা দিয়েছিলেন। কিন্তু তার সেই প্রতিশ্রুতিও শূন্য বলে দৃশ্যমান। মুগাবে বিদায় নেয়ার পর এ বিষয়ে পরিবর্তন যা হয়েছে, তা অনুল্লেখ্য। সমালোচকরা বলছেন, ৮০ বছর বয়সী ইমারসন মনাঙ্গাগওয়া তার বিরোধীদের কণ্ঠকে স্তব্ধ করে দিয়েছেন। নির্বাচনকে সামনে রেখে বিরোধীদের ওপর দমনপীড়ন চালিয়েছেন। এর ফলে তিনি বড় ব্যবধানে বিজয়ী হবেন বলে নিশ্চয়তা মেলে।
নির্বাচন কমিশন বলেছে, ইমারসন মনাঙ্গাগওয়ার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী সিটিজেন্স কোয়ালিশন ফর চেঞ্জের (সিসিসি) প্রার্থী নেলসন চামিসা পেয়েছেন শতকরা ৪৪ ভাগ ভোট।