ওয়ানবাংলানিউজ: ব্রিটেনের রাজনৈতিক অঙ্গনে এখন সবচেয়ে আলোচিত বিষয় ইমিগ্রেশন এবং এসাইলাম। বিশেষ করে কেন্টের মেন্সটন ইমিগ্রেশন সেন্টারের ঘনবসতি এবং বেহাল দশা আর জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ছোট নৌকায় ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দিয়ে মাইগ্রেনটদের ব্রিটেনে প্রবেশের বিষয়টি এই মুহূর্তে ব্যাপকভাবে আলোচিত হচ্ছে। ইংলিশ চ্যানেল উপকূলবর্তী কেন্ট অঞ্চলের সকল কাউন্সিল কর্তৃপক্ষ যৌথভাবে হোম সেক্রেটারির কাছে লিখিতভাবে জানিয়েছে, মেন্সটন ইমিগ্রেশন সেন্টারের অবস্থা গুরুতর এবং সেখানে একটা অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টি হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে গেছে। মেন্সটন ক্যাম্পে ছিলেন, এমন একজন ব্যাক্তি বিবিসিকে বলেছেন, সেখানকার পরিবেশ কারাগারের মতো।
এক সপ্তাহ হলো প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব নিয়েছেন ঋষি সুনাক। কিন্তু শুরু থেকেই তাঁর সরকারের দক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে নানা মহল থেকে। ২ নভেম্বর, বুধবার, প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্নোত্তর পর্বে দ্বিতীয়বারের মতো অংশ নেন ঋষি সুনাক। ব্রিটেনের এসাইলাম সিস্টেম ভেঙ্গে পড়েছে, এমন অভিযোগ করে হোম সেক্রেটারি সুয়েলা ব্রাভারম্যানের ওপর চাপ অব্যাহত রাখলেন লেবার নেতা।
প্রধানমন্ত্রী বললেন, সরকারের গৃহীত আইনি প্রক্রিয়ার বিবরণ প্রকাশ করা যাবেনা জানিয়ে হোম সেক্রেটারির পক্ষে তাঁর শক্ত অবস্থানের কথা পুনরব্যাক্ত করেন।
প্রধানমন্ত্রী স্বীকার করলেন, এসাইলাম সিস্টেমের সমস্যা গুরুতর এবং এই সমস্যা আরও বিস্তৃত হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর এই স্বীকারোক্তির সুযোগ নিয়ে আক্রমণ তীব্র করলেন লেবার নেতা।
জলবায়ু পরিবর্তন ইস্যুতে প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনাকের দৃষ্টিভঙ্গি নিয়েও সমালোচনা চলছে। গত সপ্তাহে টেন ডাউনিং স্ট্রীট থেকে বলা হয়েছিল, দেশের অর্থনৈতিক সমস্যার সমাধান নিয়ে প্রধানমন্ত্রী অত্যন্ত ব্যাস্ত, যার কারণে আগামী সপ্তাহে মিশরে অনুষ্ঠিতব্য বিশ্ব জলবায়ু সম্মেলনে তিনি যোগ দিতে পারবেন না। নানা মহল থেকে সমালোচনা অব্যাহত থাকার মধ্যেই বুধবার প্রধানমন্ত্রী জানালেন, তিনি সম্মেলনে যোগ দেবেন।
দেশের অর্থনীতিকে মেরামত করা ঋষি সুনাকের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। তবে ইতোমধ্যে নানা ইস্যুতে ঋষি সুনাকের দৃষ্টিভঙ্গি এবং নীতি প্রকাশিত হতে শুরু করেছে, যার মাধ্যমে স্পষ্ট হবে তিনি কেমন প্রধানমন্ত্রী হতে চান।















