সিলেট সংবাদদাতা: মানবতার ডাকে সাড়া দিয়ে অনেকেই ছুটে চলছেন মায়ানমারের মগ বৌদ্ধ কর্তৃক নির্যাতিত বাংলাদেশে আশ্রিত রোহিঙ্গাদের সেবায়। তারই ধারাবাহিকতায় নুরে মদিনা অরগানাইজেশন ইউকের সদস্যগণ এবং অন্যান্যরাও বসে থাকেননি। বাংলাদেশে অবস্থানরত নুরে মদিনার জয়েন্ট সেক্রেটারি মাওলানা রফিকুল ইসলাম জাকারিয়ার নেতৃত্বে নুরে মদিনার লন্ডন অবস্থানরত দায়িত্বশীল ও শুভাকাঙ্ক্ষীগণের, নুরে মদিনার ফাউন্ডার চেয়ারম্যান মাওলানা আজিজুল ইসলামের মামা ইউকে প্রবাসী মাওলানা আব্দুস সাত্তার মিয়াজি প্রতিষ্ঠিত হযরত উমর রহ. ফাউন্ডেশন ইউকের এবং বাংলাদেশী কিছু দাতাগণের দেয়া ত্রাণ ও নগদ অর্থ নিয়ে ছুটে যাওয়া হয় সুদূর টেকনাফ। উখিয়া, বালুখালী ক্যাম্পে।
.
বালুখালী ক্যাম্পের ভেতরে দুর্গম পাহাড়ের চূড়ায় আশ্রিত নতুন রোহিঙ্গাদেরকে নিয়ে সর্বপ্রথম এলাকার নাম রাখা হয় “নুরে মদিনা পল্লী।” নুরে মদিনা পল্লীতে শুরু হয় নুরে মদিনা অরগানাইজেশন ইউকের কার্যক্রম। নির্মাণ করা হয় দুটি মসজিদ। একটির নামকরণ করা হয় নুরে মদিনা, আরেকটি খতীব ওয়ায়দুল হক রহ. মসজিদ। পল্লীতে কয়েকটি তাবুও নির্মাণ করা হয়।
স্থাপনা করা হয় ২টি টিউবওয়েল। ৭টি টয়লেট। ৫টি গোসলখানা এবং নুরে মদিনা অরগানাইজেশন ইউকের পক্ষ থেকে রোহিঙ্গাদেরকে নগদ অর্থ ও খাদ্যদ্রব্য প্রদান করা হয়।
.
নুরে মদিনা অরগানাইজেশন ইউকের ত্রাণ বিতরণ এবং বিভিন্ন স্থাপনা নির্মাণকালে উপস্থিত ছিলেন নুরে মদিনার জয়েন্ট সেক্রেটারি মাওলানা রফিকুল ইসলাম জাকারিয়া। টেকনাফ রোহিঙ্গা সেবায় কর্মরত সেনাবাহিনীর সার্জেন্ট মাজহারুল ইসলাম। সিলেটের আম্বরখানা মসজিদের ইমাম ও খতীব মুফতি জিয়াউর রহমান। কক্সবাজার ইমাম মুসলিম রহ. মাদরাসার শিক্ষক মাওলানা আবুল কালাম। উখিয়ার মাওলানা সরওয়ার সোহেল। কক্সবাজার মেডিকেল কলেজ-এর ছাত্র রায়হান আহমদ। মাওলানা আব্দুল্লাহ আল মনসুর। সাইফুর রহমান মাহদী। খালেদ হুসাইন। ফারহান আহমদ। সাইফ রাহমান প্রমুখ।















