ইউনিভার্সেল ক্রেডিট থেকে কেটে নেয়া বন্ধের আহবান

397

ওয়ানবাংলানিউজ: বড় বড় ব্র্যান্ডের খাদ্য পণ্য ও নিত্য ব্যবহার্য পণ্যের প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে সম্প্রতি একের পর এক মূল্য বৃদ্ধির ঘোষণা আসছে। বুধবার মূল্য বৃদ্ধির ঘোষণা দিয়েছে ম্যাকডোনালডস। চেইন রেস্টুরেন্টটি তাদের মেন্যুতে অনেক পদের মূল্য ১০ থেকে ২০ পেন্স বাড়িয়েছে। চিজ বার্গারের দাম ৯৯ পেন্স থেকে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ পাউন্ড ১৯ পেন্স। মূল্য বৃদ্ধির পেছনে ম্যাকডোনালডস কারণ দেখিয়েছে, তাদের জালানি ও খাদ্য প্রস্তুতের উপাদাণের দাম বৃদ্ধি এবং কর্মীদের মজুরি বৃদ্ধি করতে হয়েছে।

গৃহস্থালির বিল এবং নিত্য ব্যবহার্য পণ্যের দাম এতো দ্রুত বৃদ্ধিতে, সবচেয়ে বেশী কষ্ট পাচ্ছে নিম্ন আয়ের পরিবারগুলো। জডিন নামের এই নারী চার সন্তানের মা। তিনি পারিবারিক খরচ চালাতে সরকারি সহায়তা ইউনিভারসেল ক্রেডিটের ওপর নির্ভরশীল।

এমন পরিস্থিতির শিকার জডিন একা নন। ২০ লাখের বেশী লোকের ইউনিভারসেল ক্রেডিটের পেমেন্ট থেকে প্রতি মাসে অর্থ কেটে নিচ্ছে সরকার। এই অর্থ হয়তো আগে ঋণ হিসেবে, কিংবা অগ্রিম হিসেবে, অথবা এইচএমআরসি’র ভুলের কারণে পেয়েছিলেন এসব ইউনিভারসেল ক্রেডিট গ্রাহকেরা। এখন ওয়ার্ক এন্ড পেনশন্স বিষয়ক সংসদীয় কমিটির এমপিরা আপাততো এই অর্থ প্রাপকের পেমেন্ট থেকে কেটে নেয়া বন্ধ রাখার আহবান জানিয়েছেন। তাঁরা বলছেন, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে আসার পর এই অর্থ কেটে নেয়া যেতে পারে। সরকার বলছে, প্রাপকের ইউনিভারসেল ক্রেডিটের অংক থেকে সর্বোচ্চ কতো কেটে নেয়া যাবে, তার একটা সীমা বেঁধে দিয়েছে সরকা, যা মোট পেমেন্টের ২৫ শতাংশ। কিন্তু ইউনিভারসেল ক্রেডিট থেকে কেটে নেয়া অর্থের নেতিবাচক প্রভাবকে গুরুতর বলছেন সমাজ বিশ্লেষকেরা।

জডিনও বলছেন, ইউনিভারসেল ক্রেডিটের অর্থ কেটে নেয়া বন্ধ করলে তিনি দম বন্ধ হয়ে যাওয়া পরিস্থিতি থেকে কিছুটা হলেও নিস্তার পাবেন।

খাদ্য পণ্য, গ্রোসারি এবং জ্বালানীর দাম আগামী কয়েক মাস আরও বাড়তে থাকবে। এই সময়ে জডিন সহ একই রকম বিপদে যারা আছেন, তারা নানা ধরনের সহায়তার ওপর নির্ভর করবেন।