ওয়ানবাংলানিউজ: সোমবার ব্রিটেনে তাপমাত্রার নতুন রেকর্ড হয়নি; তবে তৃতীয় সর্বোচ্চ তাপমাত্রার রেকর্ড হয়েছে। সাফোকের সানটন ডাউনহ্যাম এলাকায় ৩৮ দশমিক ১ ডিগ্রী সেলসিয়াস ছিল সোমবারের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা। ২০১৯ সালে ক্যাম্ব্রিজে ব্রিটেনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল ৩৮ দশমিক ৭ ডিগ্রী সেলসিয়াস। আর দ্বিতীয় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল ২০০৩ সালের অগাস্ট মাসে কেন্টের ফেভারশাম এলাকায় ৩৮ দশমিক ৫ ডিগ্রী সেলসিয়াস। তবে মঙ্গলবার দুপুর নাগাদ নটিংহামে তাপমাত্রার নতুন রেকর্ড হতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অফিস, যা ৪১ ডিগ্রী সেলসিয়াস পর্যন্ত হতে পারে।
এদিকে চরম গরমের কারণে লন্ডনের হাসপাতালগুলোতেও ব্যস্ততা প্রচণ্ড বেড়েছে। সেইন্ট জর্জেস হসপিটাল চ্যারিটি কর্তৃপক্ষ তাদের কর্মীদের এই গরমে শীতল রাখার চেষ্টা করছে।
সেইন্ট জর্জেস হসপিটালের এক্সিডেনট এন্ড এমারজেন্সি বিভাগে প্রতিদিন গড়ে ৫শ রোগী আসে। এর মধ্য থেকে প্রায় ১শ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তবে চরম আবহাওয়ার কারণে রোগীর সংখ্যা বাড়বে বলে ধারনা করছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।
লন্ডন এম্বুলেন্স সার্ভিসের ওপরও চাপ বেড়েছে। এম্বুলেন্স কর্তৃপক্ষ জনগণকে কেবল জরুরি প্রয়োজনে ৯৯৯ নম্বরে ফোন করার পরামর্শ দিয়েছে।
লন্ডনে এর আগেও তাপপ্রবাহের ঘটনায় মানুষ গুরুতর অসুস্থ হয়েছে এবং অনেক মানুষের মৃত্যু হয়েছে। সবচেয়ে মারাত্মক ছিল ২০২০ সালের অগাস্ট মাস। ওই সময়ে ৪শ’র বেশী মানুষ ম্যারা গিয়েছিল।
হোমলেসদের সেবায় নিয়োজিত চ্যারিটি সংগঠন ‘সেইন্ট মাঙ্গোস’ এই তীব্র গরমে ঝুঁকিপূর্ণ পরিবেশে বেঁচে থাকা মানুষদের সেবায় কাজ করছে।
এদিকে প্রচণ্ড গরমে শরীরচর্চা না করার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। কারণ এতে দেহে দ্রুত পানিশূন্যতা সৃষ্টি হয়ে মানুষ অসুস্থ হয়ে পড়তে পারে। তবে সারা বছর যারা নিয়মিত শরীরচর্চা করে থাকেন, তাদের ক্ষেত্রে গরম আবহাওয়ায় মানিয়ে চলা সহজ হয়।
কিন্তু বয়স্ক ব্যাক্তি এবং হার্ট ও ফুসফুসের সমস্যায় আক্রান্ত ব্যাক্তিদের জন্য উচ্চ তাপমাত্রা বিপদজনক হতে পারে। প্রচণ্ড গরমে তাই চিকিৎসকদের পরামর্শ রোদে না যাওয়া, খুব বেশী পরিশ্রম না করা, বেশী বেশী পানিয় পান করা এবং ঝুঁকিতে থাকা মানুষের দিকে খেয়াল রাখা। আর বাইরে বেরুলে সানস্ক্রিন ব্যবহার করা।














