ইংল্যান্ডে জোরপূর্বক সিজারিয়ান ডেলিভারির কারণে ৩০০ শিশুর মৃত্যু ও মস্তিষ্কের ক্ষতি: গবেষণা

1848

পাঁচ বছরের তদন্তের ফলাফলে দেখা গিয়েছে, যুক্তরাজ্যের জাতীয় স্বাস্থ্য সেবা (এনএইচএস) ট্রাস্টগুলোতে মায়েদের জোরপূর্বক ‘স্বাভাবিক পদ্ধতিতে সন্তান জন্মদান’ করতে বাধ্য করার কারণে ৩’শতাধিক শিশুর মৃত্যু হয়েছে বা মস্তিষ্কের ক্ষতি হয়েছে। দ্য গার্ডিয়ান

সানডে টাইমস জানিয়েছে, আগামী সপ্তাহে এই তদন্ত পুরোপুরি শেষ হবে। স্বাভাবিক পদ্ধতিতে সন্তান জন্মদানের বিষয়ে হাসপাতালগুলোর একরোখা নীতির কারণে মায়েদের সিজারিয়ান সেকশন প্রত্যাখ্যান করা হয় এবং মানসিকভাবে ট্রমার মধ্য গিয়ে গিয়ে প্রসবে বাধ্য করা হয়।

২০০০ থেকে ২০১৯ সালের মধ্যে শ্রেউসবারি এবং টেলফোর্ড হাসপাতাল ট্রাস্টের ১ হাজার ৫০০ পরিবারের অভিজ্ঞতা বিশ্লেষণ করে অনুসন্ধানে দেখা গেছে, কমপক্ষে ১২ জন মা সন্তান জন্ম দেওয়ার সময় প্রাণ হারিয়েছেন এবং কিছু পরিবার পৃথক ঘটনায় একাধিক শিশু হারিয়েছে।

৯০জনের বেশি মিডওয়াইফ এবং ডাক্তারকে সঙ্গে নিয়ে তদন্তের নেতৃত্ব দেয়া বিশেষজ্ঞ মিডওয়াইফ ডোনা ওকেন্ডেন বলেন, ‘আমি এই ফলাফল দেখে মর্মাহত ও দুঃখিত। শ্রেইসবারি এবং টেলফোর্ডে পদ্ধতিগত ব্যর্থতা রয়েছে। এনএইচএস এর ম্যাটার্নিটি ওয়ার্ড সন্তানসম্ভবা নারীর জন্য নিরাপদ নয়।’ ডেইলি মেইল

ওকেন্ডেন জানান, প্রতিবেদনে প্রকাশ করা হবে যে, স্বাভাবিক পদ্ধতিতে সন্তান জন্মদানের একগুয়েমির কারণে এনএইচএস এর ইতিহাসের সবচেয়ে বড় মাতৃত্বকালীন কেলেঙ্কারি ঘটেছে। শত শত শিশু মৃত অবস্থায় জন্ম নেয় বা জন্মের পরপরই মারা যায় বা তাদের মস্তিস্কের স্থায়ী ক্ষতি হয়। অনেকের মাথার খুলি ভেঙে যা বা হাড় ভেঙ্গে যায় বা জীবন পরিবর্তনকার অক্ষমতা নিয়ে জন্ম নেয়।