ব্রিটেনে চাকুরী আছে, কর্মী নাই

578

ওয়ানবাংলানিউজ: লন্ডনে বেকারত্ব কমেছে। এমপ্লয়মেন্ট মিনিস্টার বলেছেন, গত কয়েক মাসে লন্ডনের বেকারত্ব অনেক কমেছে। কিছু কিছু খাত বেশ সম্প্রসারিত হচ্ছে এবং তাদের কর্মী প্রয়োজন। আর কিছু কিছু সেক্টরে দক্ষ লোকের অভাব দেখা দিয়েছে।

লন্ডনে মহামারিতেও অবকাঠামো নির্মাণ শিল্পে ব্যস্ততা বেড়েছে। টাওয়ার হ্যামলেটসে চলমান কন্সট্রাকশন প্রকল্পে এপ্রেনটিস হিসেবে যোগ দিয়ে ক্যারিয়ার গঠন করছে অনেকে।

লন্ডনে কর্মসংস্থান বেড়েছে দশমিক ৭ শতাংশ। আর বেকারত্ব কমেছে প্রায় ৯১ হাজার। কিন্তু এখনও লন্ডনের ২ লাখ ৭২ হাজার মানুষ বেকার।

মহামারি এবং ব্রেক্সিটের কারণে লন্ডনে অনেক খাতে কর্মী সংকট বিরাজ করছে।

এদিকে লন্ডনের পরিস্থিতি এবং ওয়েস্ট মিডল্যান্ডসের পরিস্থিতি ভিন্ন। এই অঞ্চলে এতো বেশী পদ শূন্য যে, চাকুরী প্রার্থীদের নিয়ে রীতিমত প্রতিযোগিতায় লিপ্ত হয়ে পড়েছে নিয়োগদাতা প্রতিষ্ঠানগুলো। গত বছরের ফেব্রুয়ারির তুলনায় ওয়েস্ট মিডল্যান্ডসে এখন চাকুরীর শূন্য পদ ১শ ২২ শতাংশ বেড়েছে। এই অঞ্চলে বেকারত্ব কমেছে ৪ দশমিক ৭ শতাংশ। মহামারির আগে যে বেকারত্ব ছিল, এই মুহূর্তে তার চেয়ে কম বেকারত্ব ওয়েস্ট মিডল্যান্ডসে।

প্লামার রিচারড ব্যারেল একটি ওয়াটার সেইফটি কোম্পানিতে কাজ করেন। এই কোম্পানিতে ৭টি শূন্য পদ রয়েছে। কর্মীদের ধরে রাখতে এবং নতুন কর্মী আকর্ষণ করতে গত দেড় বছরে বেতন এবং চাকুরির সুযোগ-সুবিধা দুই বার বাড়ানো হয়েছে।

শ্রুজবারি এলাকার ডাইক ইয়াক্সলি একাউনটেনসি ফার্মে ১শ কর্মী কাজ করেন। তাদের ফার্মে ৫টি শূন্য পদ রয়েছে। নতুন কর্মী আকর্ষণ করতে তাঁরা বেশ কিছু কৌশল প্রয়োগ করেছেন। নতুন লোক আনতে পারলে বর্তমানে কর্মরত কর্মীদের বোনাস দেয়ার প্রস্তাব দিয়েছে এই ফার্ম।

ডিসেম্বর মাসে এখানে কাজ শুরু করেন লরেন নেওয়েল। এর আগে তিনি তিনটি ফার্মে আবেদন করেন।

ব্ল্যাক কান্ট্রি এলাকার নিয়োগদাতা প্রতিষ্ঠান মেট রিক্রুটমেন্ট জানিয়েছে, গত এক বছরে চাকুরীর শূন্য পদ দ্বিগুণ হয়ে গেছে। একেকজন প্রার্থী অনেকগুলো চাকুরীর প্রস্তাব পাচ্ছেন।

ব্ল্যাক কান্ট্রি চেম্বার অফ কমার্স বলছে, মহামারির আগেই দক্ষ লোকের অভাব ছিল। গত ছয় মাসে মহামারি থেকে বেরিয়ে আসার পরিস্থিতি সৃষ্টি হওয়ায় শূন্য পদের সংখ্যা ব্যপকভাবে বেড়েছে।