ওয়ানবাংলানিউজ: ইংল্যান্ড এবং ওয়েলসে প্রতি ছয় মিনিটে একটি করে উত্ত্যক্ত করার ঘটনা ঘটে। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই দেখা যায় নারীরা পুরুষ কর্তৃক উত্ত্যক্ত হচ্ছেন। কিন্তু পুরুষরা যখন উত্ত্যক্ত হন, তখন সেটি আইন শৃঙ্খলা বাহিনীকে জানান হয়না। ড্রাইভিং ইন্সট্রাকটার বব কফট্রি জানান, তাঁর কাছে এক নারী ড্রাইভিং শিখতে এসেছিলেন। পরে সেই নারী তাঁকে উত্ত্যক্ত করতে শুরু করেন। এক পর্যায়ে তিনি বাসা বদলাতে বাধ্য হন।
ববকে উত্তক্তকারি নারী তাঁর বাসায় ১৪ বার দেখা করতে আসেন। তখন সেই নারীর হাতে ছিল ছুরি এবং সুইসাইড নোট। এভাবে কয়েক মাস চলতে থাকে। কিন্তু সেই মহিলাকে আদালত শাস্তি দেন সাসপেনডেড সেনটেন্স। সাথে ছিল রেসট্রেইনিং অর্ডার। অর্থাৎ ববের বাসার আশেপাশে তাঁকে ভিড়তে নিষেধ করেন আদালত। এরপর ওই মহিলা একজন মানসিক চিকিৎসার নার্সের শরণাপন্ন হন।
ইংল্যান্ড এবং ওয়েলসের অপরাধ বিষয়ক জরিপের ফলাফলে জানা যায়, ২০২০ সালের মার্চ পর্যন্ত এক বছরে দেড় মিলিয়ন উত্ত্যক্ত করার ঘটনা ঘটেছে। অনুমান করা হয়, এসব উত্ত্যক্তের ঘটনার শিকার প্রতি তিন জনের মধ্যে একজন পুরুষ। কিন্তু পুলিষের কাছে এ ধরনের অপরাধের ঘটনা রিপোর্ট করার ক্ষেত্রে দেখা যায়, প্রতি ৫টি রিপোর্টের মধ্যে একটি করছেন পুরুষ। অর্থাৎ, পুরুষের একটা বড় অংশ উত্ত্যক্তের শিকার হওয়ার পরও পুলিশে রিপোর্ট করছে না।
উত্ত্যক্ত হওয়া অন্য পুরুষদের প্রতি বব কফট্রির উপদেশ, উত্ত্যক্তের শিকার হলেই পুলিশে রিপোর্ট করুন।















