খেলাধুলা ডেস্ক : ২০০৮ সালের পর দক্ষিণ আফ্রিকার মাঠে খেলতে যাওয়া বাংলাদেশ দলের প্রায় সব সদস্যই নতুন। নবীন এ দল নিয়ে পচেফস্ট্রুমে প্রথম টেস্ট খেলতে নেমে স্বাগতিক দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে বলতে গেলে এক প্রকার উড়ে গেছে মুশফিকুর রহিমের দল।
প্রথম টেস্টে বড় ব্যবধানে হারের ক্ষত ভুলে ব্লুমফন্টেইনে দ্বিতীয় টেস্টে ঘুরে দাঁড়ানোর লক্ষ্য বাংলাদেশের। ম্যানগাউং ওভালের সবুজ উইকেটে সেটি চ্যালেঞ্জিং হলেওআশাবাদী টাইগাররা।
দক্ষিণ আফ্রিকায় খেলা অভিজ্ঞদের মধ্যে আগে থেকেই বিশ্রামে দলের সেরা খেলোয়াড় সাকিব আল হাসান। এবার তার সঙ্গে দ্বিতীয় টেস্টে দেশসেরা ওপেনার তামিম ইকবালকে ছাড়া খেলতে হচ্ছে টাইগারদের। উরুর ইনজুরির কারণে মাঠে নামা হচ্ছে না তার। প্রথম টেস্টে প্রোটিয়া পেসারদের বিপক্ষে নাকানি চুবানি খেতে দেখা গেছে বাংলাদেশি ব্যাটসমানদের। তারউপর আগামীকাল শুরু হতে যাওয়া টেস্টে তামিমের অভাবকে বড় করে দেখছেন অনেকেই। তবে ইনজুরি থেকে সৌম্যের ফেরা হয়তো কিছুটা আশা জোগাচ্ছে টাইগার সমর্থকদের।
ম্যানগাউং ওভালের সম্ভাব্য বাউন্সি উইকেটে ফর্মে থাকা তামিমের অনুপস্থিতি পূরণ হওয়ার নয়। পচেফস্ট্রুমে মাত্র ৯০ রানে গুটিয়ে যায় বাংলাদেশের দ্বিতীয় ইনিংস। সঙ্গী হয় বড় ব্যবধানে হারের লজ্জা। ১০ বছর আগে ইনিংসে একশ’র নিচে অলআউট হয়েছিল বাংলাদেশ। তাই ব্লুমফন্টেইনে দেশের সেরা দুই রানস্কোরারকে ছাড়া ম্যাচটি যে কঠিন পরীক্ষা তা স্বীকার করবেন টাইগার পাড়ভক্তরাও।
প্রথম টেস্টে বাংলাদেশ দলের একমাত্র পরীক্ষিত স্পিনার ছিলেন মিরাজ। বল হাতে উইকেটের জন্য হাহাকার করতে দেখা গেছে তাকে। প্রথম টেস্টে প্রোটিয়া বাঁহাতি স্পিনার কেশব মহারাজের সাফল্যে (৭ উইকেট) সাকিব আল হাসানের অভাবটা ভীষণভাবে টের পেয়েছে টিম বাংলাদেশ। তাই কাল ব্লুমফন্টেইনে একাদশ সাজানোর আগে এই দিকটা বিশেষ মাথায় রাখতে পারেন নির্বাচকরা।
সাকিব-তামিমবিহীন ম্যাচে অন্য সিনিয়রদের ওপর দায়িত্বভার বেড়ে যাবে। দু’জনের অনুপস্থিতি মেনে নিয়ে নিজেদের মেলে ধরার বিকল্প নেই। ২০১৩ সালের মার্চে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ড্র হওয়া গল টেস্টের পর এ প্রথম একই ম্যাচে নিজেদের দুজন সর্বোচ্চ রানস্কোরারকে ছাড়াই মাঠে নামতে যাচ্ছে বাংলাদেশ! গলে অনুষ্ঠিত ঐতিহাসিক ম্যাচটিতে দুর্দান্ত ব্যাটিং নৈপু্ণ্েয প্রথম ইনিংসে ডাবল সেঞ্চুরি উদযাপন করেছিলেন অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম। ওই ম্যাচ থেকে অনুপ্রেরণা নিতে পারে টাইগাররা। সেই সঙ্গে কাল ঘুরে দাঁড়ানোর ম্যাচে মুশফিকসহ অন্যদের কাছে সেরাটার প্রত্যশা থাকবে টাইগার সমর্থকদের।














